প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

চাঁদপুরে সাড়ে ১০ কোটি টাকার কারেন্ট জাল ধ্বংস করেছে নৌ পুলিশ

সুজন কৈরী : চাঁদপুরের রাজ-রাজেশ্বর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১০ কোটি ৫০ লাখ টাকা সমমূল্যের ২৫ লাখ মিটার ইলিশ মাছ ধরার অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দের পর পুড়িয়ে ধ্বংস করেছে নৌ-পুলিশ।

সোমবার নৌ-পুলিশ জানিয়েছে, মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান-২০১৯ উপলক্ষে নৌ পুলিশ আয়োজিত নৌ-র‌্যালী গত ৭ অক্টোবর রাজধানীর সদরঘাট থেকে চাঁদপুর হয়ে সুরেশ্বর পর্যন্ত যায়। র‌্যালীতে নৌ পুলিশের ডিআইজি মো. আতিকুল ইসলামসহ ইউনিটের অন্য উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সেখানে ডিআইজি আতিকুল ইসলামের নেতৃত্বে ইলিশ মাছ ধরার কারেন্ট জাল জব্দের পর জনসম্মুখে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

ডিআইজি আতিকুল মা ইলিশ সংরক্ষণের জন্য ৯ অক্টোবর থেকে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত ইলিশ মাছ ধরা বন্ধ রাখার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এতে ভবিষ্যতে বিপুল পরিমাণ ইলিশ আহরণ করা সম্ভব হবে এবং অর্থনৈতিকভাবে সাবলম্বী হওয়া যাবে। এছাড়া তিনি মাছ ধরা বন্ধে নৌ পুলিশসহ অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে সঠিকভাবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ প্রদান করেন।

নৌ পুলিশ জানিয়েছে, ইউনিটের ঢাকা অঞ্চলে ১ জন এসপি, ১ জন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, ২ জন সহকারী পুলিশ সুপারসহ ১৩০ জন তদনিম্মসদস্য মাঠ পর্যায়ে ‘মা ইলিশ সংরক্ষণে’ কুতুবপুর নৌ ফাঁড়ি, মাওয়া নৌ ফাঁড়ি, চর আব্দুল্লাহপুর নৌ ফাঁড়ি, গজারিয়া নৌ ফাঁড়ি, কলাগাছিয়া নৌ ফাঁড়ি, খাককান্দা নৌ ফাঁড়ি। বৈদ্বেরাবাজার নৌ ফাঁড়ি, করিমপুর নৌ ফাঁড়ি, বঙ্গারচর নৌ ফাঁড়িতে কাজ করবে।

কিশোরগঞ্জ অঞ্চলে একজন পুলিশ সুপার একজন সহকারি পুলিশ সুপারসহ মোট ৩৯ জন সদস্য ভৈরব, ছলিমগঞ্জ, দবাজাইল, চানটাঘাট এবং লালপুর নৌ ফাঁড়ি অভিযানিক কার্যক্রম চলবে। ফরিদপুর অঞ্চেলে একজন পুলিশ সুপার, একজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, একজন সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপারসহ মোট ৫২ নৌ পুলিশ সদস্য মাঠ পর্যায়ে কাজ করবে। টাঙ্গাইল অঞ্চলে একজন পুলিশ সুপার, একজন সহকারী পুলিশ সুপার সহ মোট ১০০ সদস্য বাহাদুরবাদ ঘাট, চৌহালী, নগড়, বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব ও পশ্চিমে, বালহদিঘাট, ফুলছাড়ি, লক্ষীপুর, ভূয়াপুর, আবএমপি ও গোদাগাড়ি এলাকায় মাঠ পর্যায়ে অভিযান চলবে।

নৌ পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি মো. রফিকুল ইসলাম উত্তরাঞ্চলের দায়িত্বে থাকবেন অপরদিকে দক্ষিণাঞ্চলের দায়িত্বে থাকবেন অতিরিক্ত ডিআইজি মো. মোল্লা নজরুল ইসলাম। চাঁদপুর অঞ্চেলের দায়িত্বে থাকবেন একজন পুলিশ সুপার। একজন এসপিসহ মোট ১৪০ জন।

এছাড়া বরিশাল অঞ্চলে ১ জন পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে ৯২ জন নৌ পুলিশ সদস্য কাজ করবে। চট্টগ্রাম ১ জন পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে ২ জন এএসপিসহ ৫৭ জন নৌ পুলিশ সদস্য কাজ করবে। খুলনা অঞ্চলে ১ জন পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে ১ জন এএসপিসহ ১৩৬ জন সদস্য কাজ করবে।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত