প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

আবরারের মৃত্যু মনে করিয়ে দেয় আমার সন্তানদের র‌্যাগিং উপত্যকায় বাস

মোসফেকা আলম ক্যামেলিয়া: আবরারকে নিয়ে কিছু লিখবো ভাবিনি। এতো লজ্জা, এতো মাটিতে মিশে যাওয়া, এতো দম বন্ধ হওয়া কষ্টে বুকের গলিপথ শীতল হওয়া যে একে ঘিরে আসলে কোন শব্দই আসে না। মৃত্যু এক অবধারিত সত্য, কিন্তু এতো বিভৎস মৃত্যু! এই আবরারের সাথেই শুধু দেশের না সারা বিশ্বের আরও শত শত মৃত্যুসংবাদ আমাদের কানে আসছে, আমরা কেবল বোবা কান্না নিয়ে দেখছি। আলোড়িত আর হতে পারছি না।

আবরারের মতোন শতশত ঘটনা আমাদের মাঝেও প্রতিদিন ঘটছে, আমরা না শোনার ভান করে চলছি ক্রমাগত। নিজের আনন্দ, ভালোবাসা, কামনার জায়গাগুলো এতো বেশি আমাদের ভাবজগতে ঠাঁই পাচ্ছে যে, আমরা শুধু এড়িয়ে যাই, যেতে শিখে গেছি। তবু কোন মৃত্যুর পেছনের ঘটনা যেন জগদ্বল পাথর হয়ে চেপে বসে বুকে, কিছুতেই নামে না, আবরারের ঘটনা তেমন এক উদাহরণ। আবরারের মৃত্যুর পেছনে আছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আবাসিক হলগুলোতে চলা এক দীর্ঘকালীন নির্মম ইনভ্যালিড আচরণ, যার নাম র‌্যাগিং।

র‌্যাগিং শব্দটার সাথে আমরা কম বেশি সবাই পরিচিত, সিনিয়র শিক্ষার্থীকে দিয়ে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন। এই পরিস্থিতিতে ভারসাম্য রাখতে না পেরে বহুজন প্রতিষ্ঠান ছাড়তে বাধ্য হয়। বহুজন বেঁচে থাকলেও মানসিক বিকারগ্রস্ত হয়ে পরিবারের বিপর্যয় হয়ে টিকে থাকে। সম্প্রতি র‌্যাগিং এর ভয়াবহ চিত্রের আঁচ পেলাম বাংলাদেশ প্রযুক্তি ও প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের বড় এক বিস্ফোরণের পরেই। অন্তত সাধারণ মানুষগুলো জানতে পারলাম এর ব্যাপকতা সম্পকে। র‌্যাগিং এর ভয়াবহতা কেবল বুয়েটেই নয়, শোনা গেছে বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আবাসিক হলগুলো থেকে। বুয়েটের পাশাপাশি সর্বোচ্চ স্থানে এসেছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম। এছাড়াও সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সহ সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারি মেডিকেল কলেজ ও সরকারি কলেজসহ খ্যাতনামা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। আর কিছু একাডেমির নাম ভিন্ন কারণে বললাম না, কারণ এখন র্যাগিং এর শিকার কেউই এ নিয়ে কথা বলতে রাজি হবেন না। ১২ই অক্টোবরের মানবজমিনের একটি বিশেষ লেখা পড়লাম স্তম্ভিত হয়ে। অসহায় আর মূক হয়ে বসে থাকলাম কিছুক্ষণ। র‌্যাগিং এর সরলীকরণ উপস্থাপনরীতি হচ্ছে জুনিয়রদের সাথে পরিচিত হওয়া, জুনিয়র-সিনিয়র সম্পর্ক উন্নয়ন, মজা করা, জুনিয়রদের আদব কায়দা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম শেখানো। কিন্তু এই মজাই রূপ নেয় আস্তে আস্তে বিভৎস রূপে। এ যেন ইনক্রেডিবল হালকের অবস্থান, কেবল টর্চারের পরিণতিতে হালক হতো দানব আর রুখতো প্রকৃত নির্যাতনকারীকে, এখানে হালকরূপী মানুষগুলো পরিণত হয় বিভীষিকাময় দানবে আর তারা ঝাপিয়ে পড়ে রাজনৈতিক আর অর্থনৈতিক ক্ষমতাহীন অসহায় কিছু ছেলের উপরে। এবার দেখি কী কী করেন এই দানবেরা- নতুন আসা শিক্ষার্থীকে জোর করে শেখানো হয় রাজনৈতিক বড় ভাইদের নাম, পিতা-মাতা ও পরিবারের অন্যদের জড়িয়ে অশ্লীল ভাষা বলানো, প্রকাশ্যে নগ্ন করে নাচানো, চরম অশ্লীল বই পড়তে বাধ্য করা, পেস্ট খেতে বাধ্য করা, রাতে মশার কামড় খাওয়ানোর জন্য বাইরে দাঁড় করিয়ে রাখা, কান ধরে উঠবস, বুকডন, মুরগি হয়ে বসিয়ে রাখা, প্রকাশ্যে কোনো মেয়েকে প্রেমের প্রস্তাব দিতে বাধ্য করা, শীতের মধ্যে পানিতে নামানো ও ফুটবল খেলতে বাধ্য করা, শীতের রাতে সিনিয়রদের কাজে বাইরে পাঠানো, সিগারেট-গাঁজা-মদ পানে বাধ্য করা, ম্যাচের কাঠি দিয়ে রুম বা মাঠের মাপ নেয়া, কোনো আদেশ না মানলে গায়ে হাত তোলা, কথার মারপ্যাঁচে বিব্রত করা ইত্যাদি ইত্যাদি ইত্যাদি আর সর্বশেষ দেখলাম মুখ চাপা দিয়ে এলোপাথারি মারধোর। বাহ ! কী চমৎকার আমাদের মেধাবীদের মেধার আলোয় বিচ্ছুরিত মেধালয়!

এইবার আসি সেই সব বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্ঞানের জাহাজ শিক্ষকদের কথায়। সব শিক্ষক এক কাতারে পড়বেন না সত্য আবার অধিকাংশই যে এই তালিকাভুক্ত তাও অস্বীকার করবার চেষ্টা করাটাও হাস্যকর শোনাবে। অন্তত সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে যাদের পড়ার অভিজ্ঞতা আছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের রাজনৈতিক সুবিধাবাদিতা আর হ্যাংলামো এখন সর্বজনবিদিত। ক্ষমতায়ণের চেষ্টায় তারা প্রতিপক্ষ শিক্ষককে ঘায়েল করবার চেষ্টায় নেয় নানান পথ আর আরেকটি নির্মম বাস্তবতা বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে বহু শিক্ষার্থী তাদের শ্রদ্ধাভাজন শিক্ষক থেকে পেয়েছেন তা হলো এবিউজ। যারা কেবলমাত্র নারী হবার কারণেই এইসব বুদ্ধিবৃত্তিক ক্ষমতাবানদের প্রভোকের শিকার হয়েছে, এবিউজের শিকার হয়েছে। অনেকেই বলতে আসবেন, কই আমি তো হই নাই, কই জানি না তো। আমি নিজেও এই পরিস্থিতিতে পড়ি নাই তার একটাই কারণ শিক্ষকদের মানসই তালিকায় আমার চেহারা আর সৌন্দর্য্য না পড়বার অবস্থানের জন্যই। অন্য কিছু না। যদি তেমন ডাকসাইটে সুন্দরী বা বিদ্বান থাকতাম, তাহলে তাদের দ্বারা এবিউজ বা প্রভোকের সম্ভাবনা থাকতো শতভাগ। এই যদি হয়, সবচেয়ে মেধার স্থানের মেধাবী কারিগরের চর্চার জায়গা, তাহলে মাদ্রাসার মতো স্থানে নানা তেলবাজি, ক্ষমতার জন্য কাদা ছোড়াছুড়ি, মারামারি, বলাৎকার বা ধর্ষণের ঘটনা অনাকাঙ্খিত কোন বিষয়?

এবার আসি, শিক্ষকদের এইসব র‌্যাগিং এর মাঝে টান কেন দিলাম? সে আলোচনা কিয়ৎকাল পরে করি। আগে জানাই, র‌্যাগিং নিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের কিছু প্রচেষ্টার কথা। ১৯৮৩ সালে ঢাকা বিশ^বিদ্যালয় দিবসে ভিসির ভাষণে র‌্যাগিং বন্ধের বিষয়টি সরাসরি উপস্থাপিত হয়। ২০১৯ সালের ২৮ শে ফেব্রুয়ারি শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছয় শিক্ষার্থীকে র‌্যাগিংয়ের ঘটনায় দুই শিক্ষার্থীকে আজীবন বহিষ্কারসহ মোট ২১ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি দিয়েছে প্রশাসন। প্রতি বছর ভর্তির সময় বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা ও হলগুলোতে র‌্যাগিং প্রতিরোধে টানানো হয় নোটিশ। জাহাঙ্গীরনগরে র‌্যাগিং কমানোর জন্য , প্রতিটি হলে হল সুপারসহ সংশ্লিষ্ট সবার ফোন নাম্বার টানিয়ে দেয়া হয়, কোর্স টিচার সহ শিক্ষকরা নানাভাবে র‌্যাগিং য়ের বিষয়ে নিরুৎসাহিতও করেন। এরপরেও র‌্যাগিং থামে নাই, থামছে না, কেন?

আঙুল চলে যাবেই এবার রাজনৈতিক দিকে। রাজনীতির ছত্রছায়ায় থাকাদের পক্ষে যে কোন অন্যায় করে পার পাওয়া ভীষণ সহজ। তবে বাস্তবতা যে, রাজনৈতিক ক্ষমতাদখল প্রক্রিয়ায় কিছু দুর্বৃত্তায়নকে রাজনৈতিক নেতাদের প্রশ্রয় দিতে হয়, তেমন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদেরও দিতে হয় প্রশাসনে তাদের নির্বিঘ্নে কাজ করবার জন্য। তবে তা কী মাত্রাছাড়া?

রাজনৈতিক এই দুর্বৃত্তায়ণকে রাজনৈতিক নেতারা প্রশ্রয় দেয় যে কারণে তা আলোচনায় না যাই। আসি আমাদের শ্রদ্ধেয় শিক্ষককূলের কাছে। যদিও আমি আসলেই জানি না কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রশাসন দুর্বৃত্তায়নকে প্রশ্রয় কেন দেয়? আমি রাজনীতি শব্দটা বলছি না, রাজনীতি আর দুর্বৃত্তায়ন এক কথা নয়। আমি সম্ভাব্য যে কারণগুলো ভাবছি (ভুলও থাকতে পারে, এর বাইরে কেউ কোন কারণ দেখাতে চাইলে আমি সাদরে গ্রহণ করবো), তা হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ে তাদের প্রতিপক্ষদের কাছে ক্ষমতাশীলতা ধরে রাখতে, তারা যত রকম অপরাধমূলক কাজ করবে তা নির্বিঘ্নে সমাধা করতে, প্রশাসনের এক সাধারণ ছেলের নিরাপত্তার দায়িত্বের চেয়ে দেশে বিদেশে সেমিনারে অংশ নেয়া, বিভিন্ন গণমাধ্যমে বক্তব্য দেয়া, নিজ প্রতিভার চর্চা সমুন্নত রাখার চেষ্টায় প্রকাশণের কাজের ব্যস্ততা, সমাজের বিভিন্ন গোষ্ঠীর সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে নিজেকে সুবিধাজনক অবস্থায় আনা, অর্থনৈতিক আরও কিছু কাজের মাঝ দিয়ে নিজের আর্থিক উন্নয়ন ও তাদের সমাজ অস্বীকৃত প্রেমকে নির্বিঘ্নে চালিয়ে যাওয়া। একজন বুদ্ধিজীবীদের কাছ থেকে অনেক কিছুই নেবার আছে জগতের, তাদের গবেষণা নির্ভর প্রকাশন, বক্তব্য। কিন্তু এই সব কাজই করার কথা, নিজ দায়িত্ব যথাযথ পালনের পাশাপাশি। তাকে অবহেলা করে নয়। যা চলছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে, তা স্পষ্টই তাদের অবহেলার চিত্র।

আমি খুব তিক্ততা নিয়ে ভাবছিলাম আবরারের মৃত্যুর রাতটি। একটি ছেলেকে ডেকে নিয়ে গেল রুম থেকে, তাকে এক দফায় অত্যাচার করলো, তার শব্দ কারও কানে গেল না, ছেলেটিকে মারের পর ভাত, পেইন কিলার খাইয়ে মলম লাগানো হল, কেউ দেখলো না, এরপর আরেক দফায় মারার আগে কারও ফোনে পুলিশের গাড়ি একটা হল গেটে আসলো, তা কেন আসলো, কেউ খুঁজে দেখতে এলো না, পুলিশের গাড়িকে ফিরিয়ে দেয়া হলো, সেও কেউ দেখলো না, এরপরে ছেলেটিকে আরেক দফায় মারলো, সেই শব্দও কেউ পেলো না, মারের চোটে সেই ছেলে যখন আর শ্বাস নিতে পারছে না, তাকে ধরে রুমের বাইরে নিয়ে এসে ফেলে রাখা হলো, কেউ দেখলো না, অবশেষে এম্বুলেন্স আনা হলো, তখনও কেউ জানলো না, ছেলেটি মারা যাবার পরেই রাত্রিকালে প্রথম আবির্ভূত হলেন ফেরেশতাতূল্য প্রশাসন, এরপর মৃত ছেলেটিকে রেখে ফিরে গেলেন বাড়িতে ফ্রেশ হতে। হয়তো কিছু ফোনালাপ সারলেন নিজের দায় এড়াতে, এরপর আবার ফ্রেশ হয়ে এলেন পরবর্তী পরিস্থিতির করণীয় কাজ সমাধা করতে। এর অর্থই হচ্ছে, বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশাসনের সাথে জড়িত শিক্ষক যাদের নিয়োগ দেয়া হয় সকল ছাত্রের নিরাপত্তা রক্ষার জন্য, সকল ছাত্রের সুবিধা অসুবিধাগুলো শোনার জন্য, যথাসময়ে যথা ব্যবস্থা তড়িৎগতিতে নিয়ে মেধাবী ছাত্রদের উচ্চশিক্ষায় সহযোগিতার জন্য তারা তাদের দায়িত্ব পালন বাদ দিয়ে থাকে ভিন্ন ভাবনা, ভিন্ন কাজ নিয়ে। সবচেয়ে নির্মম বিষয় যে, একজন হল প্রভোস্ট বা হল সুপার যদি রাত্রিকালে সেখানে অবস্থান নাও করেন, নিশ্চয়ই সেখানে সিকিউরিটি গার্ড থাকেন, থাকে সাধারণ ছাত্ররা, কারও মাধ্যমেই কেন তিনি জানবেন না? কেন হলের সামনে পুলিশের গাড়ি এসে দাঁড়ালে তা তদন্তে নামবেন না, কারণ দীর্ঘদিন ধরে এই ঘটনা নিয়ম মাফিক হয়ে আসছে। ফলে একজন সাধারণ ছাত্র জানে যে এখন প্রশাসনকে জানিয়ে কাজ হয় না পরবর্তী টার্গেটে পরিণত হওয়া ছাড়া। কাজেই যা ঘটার ঘটেছে।

আর এজন্য দায়ী যতনা অসুস্থ রাজনীতি, তার চেয়েও শিক্ষক সমাজ, আপনারা। যাদের আমরা মেধাবী ও বুদ্ধিজীবী বলেই আস্থা রাখতাম, শ্রদ্ধা করতাম। আপনারা প্রশাসনের অন্তর্গত অসুস্থতা লুকিয়ে রাখতে যত আগ্রহী ছিলেন নিজের রেটিং বাড়াতে, ততটা আগ্রহী ছিলেন না উচ্চশিক্ষার এই কর্কট অপসারণে। আবাসিক হলগুলোর সাথে জড়িত শিক্ষকগণ কখনও কোনভাবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে র‌্যাগিং বিরোধী বড় কোন উদ্যোগ কী নিয়েছেন? শিক্ষকদের এক জোট করে এই দুর্বৃত্তায়নে বাধা দিয়েছেন? এতো সেমিনার, সিম্পোজিয়ামে অংশগ্রহণ করেন, লেখালেখি করেন প্রচারমাধ্যমে, গণমাধ্যমে সরাসরি মতামত প্রকাশও করতে দেখা যায়। অথচ কখনও কোনভাবে বড় পরিসরে এর প্রকাশ কেন করতে পারেননি, চেষ্টা করবার বিষয়ও শুনিনি ?

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইশরাত হাসান বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনসহ সংশ্লিষ্টদের বরাবর লিগ্যাল নেটিশ পাঠিয়েছেন ৯ অক্টোবর। প্রত্যেক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সার্বক্ষণিক সহায়তায় এন্টি র‌্যাগিং কমিটি গঠন ও মনিটরিংয়ের জন্য এন্টি র‌্যাগিং স্কোয়াড গঠন করে সাতদিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবার কথা নোটিশে আছে। এখন দেখতে হবে রাজনৈতিক কর্ণধার সহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক প্রধানগণ তাকে কতটা আমলে নেয়। কতটা কমে এই বিভৎসতায় মোড়ানো র‌্যাগিং।

লেখক: প্রভাষক, তেজগাঁও কলেজ, যুগ্ম-সম্পাদক, বাংলাদেশ টিচার্স নেটওয়ার্ক

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত