প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

প্রবৃদ্ধি ৭ দশমিক ২ শতাংশের পূর্বাভাস বিশ্বব্যাংকের চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় কর্মসংস্থানমুখী শিক্ষা
ব্যবস্থা খুবই জরুরী, বললেন বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর

সাইদ রিপন : চলতি অর্থবছর (২০১৯-২০) শেষে মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ৭ দশমিক ২ শতাংশ হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। যদিও সরকারের জিডিপি প্রবৃদ্ধি নিয়ে ৮ দশমিক ২ শতাংশ প্রাক্কলন করেছে। প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে সংস্থাটির কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি মিয়াং টেম্বন পরামর্শ দিয়ে বলেছেন, বাংলাদেশের প্রতিযোগীতার সক্ষতা বাড়াতে ডুয়িং বিজেনেস পরিবেশ উন্নত করতে হবে। এজন্য চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় কর্মসংস্থানমুখী শিক্ষা ব্যবস্থা খুবই জরুরী।

আজ রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিশ্বব্যাংক কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট আপডেট প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করেছে সংস্থাটি। মূল প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন সংস্থাটির ঢাকা অফিসের সিনিয়র ইকনোমিস্ট বার্নার্ড হ্যাভেন।

মার্সি টেম্বন বলেন, আমি ২০০৭ সালে এসেছিলাম তখন বাংলাদেশের এই অবস্থায় ছিল না। বাংলাদেশে অনেক বিনিয়োগ হচ্ছে ধীরে ধীরে সুফল পাওয়া যাবে। বাংলাদেশের ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি অনেক প্রশংসার। এক্ষেত্রে সংখ্যা কোন বিষয় নয়। ইতিবাচক উন্নতি যে হচ্ছে এটিই অনেক বড় ব্যাপার। তাছাড়া দারিদ্র্য নিরসনে বাংলাদেশের অর্জন অনেক। গ্রামীণ অর্থনীতি ভাল করছে। তবে টেকসই প্রবৃদ্ধির জন্য চলমান সংস্কার কার্যক্রম ত্বরান্বিত করা, রফতানি বহুমুখীকরণ, খেলাপী ঋণ কমিয়ে নিয়ে আসা, রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি এবং অবকাঠামো উন্নয়নের চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলায় বিশেষ নজর দিতে হবে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী ২০২০-২১ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি কিছুটা বৃদ্ধি পেয়ে ৭ দশমিক ৩ শতাংশ হবে। প্রবৃদ্ধির অর্জনে কৃষি খাত থেকে ৩ শতাংশ অর্জন হবে, যা গত অর্থবছরে হয়েছে ৩ দশমিক ৫ শতাংশ। শিল্প খাতে প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৯ শতাংশ, যা গত অর্থবছরে হয়েছিল ১৩ শতাংশ। তবে সেবা খাতে প্রবৃদ্ধি বেড়ে হতে পারে ৭ শতাংশ, যা গত অর্থবছরে হয়েছে সাড়ে ৬ শতাংশ।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ব্যক্তিখাতের ভোগ বৃদ্ধি পাবে। এক্ষেত্রে দাঁড়াতে পারে ৬ দশমিক ২ শতাংশে, যা গত অর্থবছরে ছিল ৫ দশমিক ৪ শতাংশ। সরকারি ভোগ ব্যয় ৮ শতাংশ থেকে বেড়ে দাঁড়াতে পারে ৮ দশমিক ১ শতাংশ। তবে রফতানি কমবে এবং আমদানি বেড়ে যাবে। চলতি অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি হতে পারে ৫ দশমিক ৯ শতাংশ। গত অর্থবছরে মূল্যস্ফীতির হার ছিল সাড়ে ৫ শতাংশ। দক্ষতার ক্ষেত্রে বলা হয়েছে বাংলাদেশে দক্ষতার ঘাটতি রয়েছে। এর মধ্যে প্রফেশনালস এর ক্ষেত্রে ঘাটতি রয়েছে ৬৯ শতাংশ, টেকনিশিয়ান ও এ্যাসোসিয়েটস প্রফেশনালসের ক্ষেত্রে ৬২ শতাংশ, ম্যানেজার ৬১ শতাংশ, সার্ভিস ওয়ার্কার ৩৭ শতাংশ, ক্লারিক্যাল সার্ভিস ওয়ার্কার ৩৫ শতাংশ এবং কৃষি খাতে মাত্র ১ শতাংশ দক্ষ শ্রমিকের ঘাটতি রয়েছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত