প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

দেশের একশ্রেণির বুদ্ধিজীবী-লেখক সাংবাদিক, শিল্পী বিক্রি হয়ে গেছেন

মোজাফফর হোসেন : সকলে বলছেন ছাত্র রাজনীতি বন্ধ করতে হবে। কেউ কেউ বলছেন, ছাত্ররাজনীতি থাকবে তবে মূল ধারার কোনো রাজনৈতিক দলের লেজ হিসেবে নয়। কিন্তু কেউ বলছেন না, রাজনীতিটাকেই ঠিক করতে হবে! রাজনীতির বাইরে কিছু না। রাজনীতি বরং সবখানেই আরো সংহতভাবে থাকা উচিত। তবে সেই রাজনীতিটা হতে হবে জনমানুষের জন্য। আমাদের ব্যক্তি এবং আত্মকেন্দ্রিক রাজনীতির যে অপসংস্কৃতি দাঁড়িয়েছে কয়েকযুগ ধরে তা থেকে বের হতে না পারলে হাত পা মাথা পেট গলা সবই কেটে ফেলতে হবে একে একে, তাতেও রোগ সারবে না। ভেজাল খেয়ে পেট অসুখ করছে, খাওয়া বন্ধ করে দিলেন; কেন খাদ্যে ভেজাল কমান? কোনো অসুখ যদি পেট থেকে ছড়ায় পা কিংবা মাথা ফেলে লাভ কী? রাজনীতি কেমন হওয়া উচিত তার দৃষ্টান্ত পেতে অন্য কোনো দেশে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবনের মধ্যেই সেটা আছে।

জাতীয় নেতাদের রাজনৈতিক জীবন আছে। এটা কারও অজানা না। সমস্যাটা এখানেই। আমরা সব জানি। আমাদের যে নষ্ট রাজনীতি সেটা আমাদের অজ্ঞতার কারণে হয়নি। হয়েছে আমাদের চরম ধান্দাবাজি, ভ-ামি, বিকলাঙ্গ বুদ্ধিজীবী শ্রেণি, তোষামোদ-চাটুকারিতা, মিথ্যাচার প্রভৃতির কারণে। এটা রাজনীতির বাইরের লোকজনও করে। যে লোকটা নোংরা আখ্যা দিয়ে রাজনীতিকে ঘৃণা করে, সে লোকটাও ঘুষ খায় পানি খাওয়ার মতো ঢকঢক করে। পাঁচ টাকার সুবিধার জন্য একশ টাকার চামচামি করে কারা? স্বাধীনতা এতো বছর পর আমরা দেখতে পাচ্ছি, কেবল রাজনীতি নষ্ট হয়নি, দেশের শিক্ষক ও শিক্ষাব্যবস্থা গেছে। বুদ্ধিজীবী-লেখক-সাংবাদিক-শিল্পী শ্রেণি বিক্রি হয়ে গেছে।

ওদের কেউ চড়াদামে কিনে নেয়নি, নিজেকেই নিজে বিক্রি করে দিয়েছে। বাংলাদেশে এতো অল্প দামে আর কিছু বিক্রি হতে দেখি না। যিনি কোনোভাবেই নিজেকে বিক্রি করতে পারেন না, তার আবার আফসোসের শেষ নেই। শিল্পসাহিত্য-চলচ্চিত্র-সংগীত-নৃত্য-চিত্রকলা শিল্প (ইন্ডাস্ট্রি) হিসেবে দাঁড়াতে পারেনি, যতোটুকু ছিলো পরাধীন দেশে বা স্বাধীনতার পরপর, এখন তার চেয়ে নিচে নেমে গেছে। আমরা একজন শেখ হাসিনার ওপর সব দোষ চাপিয়ে অনায়াসে বসে থাকতে পারি। আমার আপনার ভূমিকা কী? কোনো শাসনামলেই যখন সিস্টেমের মৌলিক পরিবর্তন আসে না, তখন আঙুল কি কখনোই জনগণের দিকে ওঠে না? ফেসবুক থেকে

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত