প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

নীরব মতিঝিল ক্লাবপাড়া

ডেস্ক রিপোর্ট : পুরো এলাকা জুড়েই ছিল প্রাণচাঞ্চল্যতা। কিন্তু ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানের পর মতিঝিল ক্লাবপাড়ায় সুনসান নীরবতা নেমে এসেছে। রাততো বটেই দিনের বেলায় নীরবতা দেখলে মনে হবে অঘোষিত কার্ফু জারি করা হয়েছে। ১৮ সেপ্টেম্বর ইয়ংমেন্স ফকিরেরপুল দিয়ে অভিযান শুরু। এরপর ওয়ান্ডারার্স, আরামবাগ, দিলকুশা, ভিক্টোরিয়া ও মোহামেডান ক্লাবে তল্লাশি চালায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ক্লাব মানে যেখানে খেলাধুলা ও খেলোয়াড়দের আনাগোনা থাকবে। কিন্তু তার ভিতরে ক্যাসিনোসহ অনৈতিক কাজকর্ম চলে তা কারোর জানা ছিল না। যেসব ক্লাবকে ঘিরে এক সময় সমর্থকরা গর্ববোধ করতেন এখন কর্মকর্তাদের অনৈতিক কর্মকান্ডে ধিক্কার দিচ্ছে। অভিযান চালানোর পরই মতিঝিল পাড়ার ক্লাবগুলোর ক্যাসিনো রুম সিলগালা করে দিয়েছে। মেইন ফটকে দরজা খোলা থাকলেও কর্মকর্তা ও খেলোয়াড়দের আনাগোনা খুবই কম। সন্ধ্যার পরতো ভুলেও কেউ ক্লাব পাড়ায় পা বাড়ায় না।বাংলাদেশ প্রতিদিন

যারা ক্লাবে ক্যাসিনো পরিচালনা করতেন অনেকেই গ্রেফতার হয়েছেন। অনেকে আবার গা ঢাকা দিয়েছেন। মতিঝিল পাড়ার প্রতিটি ক্লাবেরই বেহাল দশা। বিশেষ করে ঐতিহ্যবাহী মোহামেডানের সংকটাপন্ন অবস্থা। বলা হতো উপযুক্ত ফান্ড না পাওয়ায় তারা ক্লাব চালাতে পারছে না। কিন্তু কর্মকর্তার কুন্ডকর্মে ক্লাবগুলো অন্ধকারে হারিয়ে যাচ্ছে তা বের হয়ে আসে ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানের পর। মোহামেডান ক্লাবের সদস্যসচিব লোকমান হোসেন ভূঁইয়া গ্রেফতারের পর স্বীকার করেছেন তিনি কোটি কোটি টাকা অস্ট্রেলিয়ায় পাচার করেছেন। অথচ তারই দল কিনা অর্থ খুঁজে পায় না। সুনসান নীরবতা দেখে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন মতিঝিল ক্লাবপাড়ায় আবার প্রাণ চাঞ্চল্য ফিরে আসবে কি! বিশেষ করে মোহামেডান ও আরামবাগের সমস্যাটা প্রকট। এ অবস্থায় তারা প্রিমিয়ার ফুটবল লিগে দল গড়বে কীভাবে? প্রশ্ন উঠেছে গ্রেফতারের পর রাজনৈতিক নেতারা সংগঠন থেকে যেখানে বহিষ্কার হয়েছেন সেখানে লোকমানের পদ এখনো বহাল থাকে কীভাবে। বিসিবি পরিচালকের পদ থেকে তাকে বহিষ্কার করা হচ্ছে না কেন?

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত