প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

স্কুল উন্নয়ন ব্যয়ের অতিরিক্ত অর্থ শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নিচ্ছে কিডস টিউটোরিয়াল স্কুল, ক্ষুব্ধ অভিভাবকরা

আরিফা রাখি : রাজধানীর সার্কিট হাউস রোডে অবস্থিত কিডস টিউটোরিয়াল স্কুলের উন্নয়ন ব্যয়ের নামে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর কাছ থেকে  চার হাজার ৫০০ টাকা করে নিচ্ছে।এই অর্থ দিয়ে কেনা হচ্ছে স্কুলের এসি, সিসিটিভি ক্যামেরা এবং মাল্টিমিডিয়া। এ নিয়ে অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা গেছে। স্কুলের প্রিন্সিপাল বলছেন, যা কিছু করা হচ্ছে তা তো শিক্ষার্থীদের জন্যই করা হচ্ছে।

ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে অভিভাবক পল্লব হুমায়ূন জানান, কিড্‌স টিউটোরিয়াল স্কুল প্রতি বছর ভর্তির সময় বার্ষিক ক্যাপিটাল ফি বাবদ নতুন শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৩০ হাজার টাকা এবং পুরনো শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা করে নিয়ে থাকে। এ বছরের জানুয়ারিতেও সব শিক্ষার্থীর কাছ থেকে এই বার্ষিক ক্যাপিটাল ফি নিয়েছে স্কুলটি। একই সঙ্গে নানা অজুহাতে প্রতি শ্রেণিতে গড়ে এক হাজার টাকা করে বেতন বাড়ানো হয়েছে।

গত জুলাই মাসের বেতন দেয়ার সময় সার্কুলার হাতে ধরিয়ে দিয়ে বলা হয়, প্রতি শিক্ষার্থীকে চার হাজার ৫০০ টাকা করে আবার জমা দিতে হবে। কারণ, কর্তৃপক্ষ শ্রেণিকক্ষে এয়ারকন্ডিশনার, মাল্টিমিডিয়া এবং সিসি ক্যামেরা লাগানো বাবদ ৪১ লাখ ৪৬হাজার ৭৭৯ টাকা খরচ হয়েছে। যার ৩০ শতাংশ স্কুল বহন করবে এবং বাকি ২৯ লাখ ২ হাজার ৭৪৫ টাকা দিতে হবে ছাত্র-ছাত্রীদের।

অভিভাবক পল্লব হুমায়ূনের পোস্টের নিচে স্কুলের প্রিন্সিপাল ফারজানা আহমেদ লিখেছেন, ‘এই ভদ্রলোক কখনও এই বিষয়ে বিদ্যালয়ের কাছে যাননি। বরং সামাজিক মাধ্যমকে বেছে নিয়েছেন। আমি তাকে বিদ্যালয়ে এসে তথ্য নেয়ার জন্য বলছি।’

স্কুলের ভাইস প্রিন্সিপাল বলেন, সংযুক্ত কপিটি নতুন ও পুরনো সব শিক্ষার্থীকেই দেয়া হয়েছে। এটা কর্তৃপক্ষ থেকে নির্ধারিত হয়েছে।

তবে অভিভাবকরা অভিযোগ করেন, শিক্ষার্থীদের চার হাজার ৫০০ টাকা করে আবার জমা দিতে হবে। কারণ, কর্তৃপক্ষ শ্রেণিকক্ষে এয়ারকন্ডিশনার, মাল্টিমিডিয়া এবং সিসি ক্যামেরা লাগিয়েছে। ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলগুলো এখন অর্থ উপার্জনের মেশিনে পরিণত হচ্ছে। উন্নয়ন ফি’র নামে স্বেচ্ছাসেবী ফি আরোপ করা হচ্ছে। এ বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছি ।’

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত