প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

দ্বিতীয় দিনের মতো উত্তাল মিসরে , নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে প্রেসিডেন্ট সিসি

খালিদ আহমেদ : প্রেসিডেন্ট আবদুল ফাত্তাহ আল-সিসির পদত্যাগ দাবিতে মিসরের রাজধানী কায়রোর তাহরির স্কয়ারে অবস্থান করছেন দেশটির হাজারো নাগরিক। ২০১৪ সালে প্রেসিডেন্ট ক্ষমতায় আসার পর শুক্রবার প্রথমবারের মতো সরকার পতনের জন্য বিক্ষোভ হলো। বিবিসি, এএফপি, আল জাজিরা

প্রেসিডেন্ট সিসির সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ এনে আন্দোলন শুরু করেছে মিসরের জনগণ। ২০১১ সালে মিশর বিদ্রোহের প্রাণকেন্দ্র ছিল তাহরির স্কয়ার। এখানে তাই কাল লোক সমাগম হয়েছে বেশি। বিক্ষোভকারীরা দেশের অন্যান্য অংশেও আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে পুলিশ।এ আন্দোলনের জের ধরে এ পর্যন্ত অন্তত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

মিসরীয় ব্যবসায়ী ও অভিনেতা মোহাম্মদ আলী দেশটির নেতাদের বিরুদ্ধে বিলাসবহুল বাড়ি এবং হোটেলে লাখ লাখ টাকা অপচয় করার অভিযোগ এনে অনলাইনে বেশ কয়েকটি ভিডিও পোস্ট করেন। লাখ লাখ মিসরীয় নাগরিক দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করছে। দেশটি সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অর্থনৈতিক মিতব্যয়িতার নীতি অনুসরণ করছে।

এসব অভিযোগকে ‘মিথ্যা এবং বানোয়াট’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন সেনাপ্রধান জেনারেল আবদুল ফাত্তাহ আল-সিসি। ২০১৩ সালে মোহাম্মদ মুরসির কাছ থেকে ক্ষমতা কেড়ে নেন তিনি।

এমন একসময় মিসরে এই বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে, যখন জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্ক যাচ্ছেন মিসরীয় প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি।

কিন্তু সিসির নিউইয়র্ক সফর নিয়ে আল-জাজিরার সাংবাদিক আহমেদ মনসুর জানালেন আরেক কথা। তার মতে, স্বৈরশাসক সিসি জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে যাননি যেমনটি তিনি ঘোষণা করেছিলেন। তিনি মিশর থেকে নিউইয়র্ক গিয়েছেন ঠিকই, তবে তা হল পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য।

গণমাধ্যমের ঘনিষ্ঠ সূত্রের বরাতে আহমদ মনসুর জানান, সিসি মূলত বাইরে থেকে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও আশ্রয় অনুসন্ধান করতে গিয়েছেন। মিসরীয় জনগণ দীর্ঘদিনের ভয় ও বাধা ভেঙে তার পতনের দাবিতে রাস্তায় নেমে আসার বিষয়টি তিনি আগে থেকেই আঁচ করতে পেরেছিলেন।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ