প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

বিএনপি-জামায়াতের সন্ত্রাসীরা যুবলীগে ঠাঁই পেলো কী করে?

হাসান বিন বাংলা : ‘বাঘে ধরলে ছাড়ে, কিন্তু শেখ হাসিনা ছাড়ে না’। সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত আজ জীবন নদীর ওপারে, কিন্তু এপারের মানুষগুলো ঠিকই তাকে স্মরণ করছে। হে হে হে ধরে ধরে ধরে না, ধরলে কিন্তু ছাড়ে না। অবাক হতে হয় মানুষের আক্কেল বুদ্ধি দেখে।

শোভন-রাব্বানীর পদচ্যুতের ঘটনায় সরকারপ্রধান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা যেখানে বলা যায় সরাসরি যুবলীগের কিছু নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন, সেখানে তারপরও তাদের নেতৃত্বে ক্যাসিনো বাণিজ্য অব্যাহত থাকে। এ কি নির্বুদ্ধিতা নাকি রাষ্ট্রযন্ত্রকে চ্যালেঞ্জ জানানো? এবার কট বিহাইন্ড হলেন নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি এবং যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সমবায় বিষয়ক সম্পাদক জি কে শামীম। আটক করা হয়েছে তার ছয় দেহরক্ষীকেও। এই সেই জি কে শামীম যিনি বিএনপি-জামায়াতের আমলে ঢাকা মহানগর যুবদলের সহসম্পাদক এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রভাবশালী নেতা ও সাবেক গণপূর্ত মন্ত্রী মির্জা আব্বাসের ঘনিষ্ঠ ছিলেন। নেতার সাইজ এবং পরিবেশটা দেখেন। তিনি ছয়জন সশস্ত্র দেহরক্ষী নিয়ে চলাফেরা করেন।

খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়াকে নিয়েও একই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়াকে আটক প্রসঙ্গে যুবলীগের চেয়ারম্যান সাহেব সেদিন ক্ষোভ প্রকাশ করে অনেক কথা বলেছিলেন যে, কেন সমস্যাটির শুরু থেকেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরে আসেনি? জনাব যুবলীগ চেয়ারম্যান দয়া করে বলবেন কি, বিএনপি-জামায়াতের এসব সন্ত্রাসী কেমন করে আপনার যুবলীগে ঠাঁই পেয়ে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে বসলো? ফেসবুক থেকে

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ