প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

বিডিআর বিদ্রোহ মামলায় খালাশ পেলেও মুক্তি মিলছেনা বিষ্ফোরক আইনের মামলায়

ইসমাঈল হুসাইন ইমু : বিডিআর বিদ্রোহের হত্যা মামলা থেকে খালাশ পেলেও বিস্ফোরক মামলার কারণে মুক্তি মিলছে না বিডিআর এর সাবেক তিন শতাধিক সদস্যের। বছরের পর বছর জেলের ঘানি টানতে হচ্ছে তাদের। অনেকে আবার জেলের মধ্যে অসুস্থ্য হয়ে কঠিন জীবন পার করছেন। হত্যা মামলার মত বিস্ফোরক মামলাটি দ্রুত নিস্পত্তির জন্য প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভুগী পরিবারের সদস্যরা।

শনিবার দুপুরে বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স বহুমুখী সমবায় সমিতি কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আটক বিডিআর সদস্যদের পরিবারের সদস্যরা এই দাবি জানান।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিডিআর সদস্য সফিকুর রহমানের পরিবারের কামরুল হোসেন, জোবায়ের এর পক্ষে রুনা, ইমতিয়াজের পক্ষে তোফাজ্জল, সবুজ মিয়ার পক্ষে রাহিমা, আবদুল করিমের পক্ষে শাহানা, দারুল ইসলামের পক্ষে সবুজ, এরশাদের পক্ষে আবদুল কাদের, আলী আকবরের পক্ষে রেহানা, নয়ন ইসলামের পক্ষে চামেলী, লুৎফর রহমানের জাহানারা, শহীদের পক্ষে রাহাত, আরিফের পক্ষে রাকিব, রশিদের পক্ষে শাকিল ও আসাদুজ্জামানের পক্ষে সাঈদ প্রমুখ।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, তাদের করো স্বামী, কারো বাবা, কারো ছেলে, কারো ভাই বিডিআর এ কর্মরত ছিলেন। বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে ৩ টি মামলা দায়ের হয়। যার একটি বিডিআর এর প্রচলিত আইনে শেষ হয়। এতে অনেকেরই সাজাভোগ শেষ হয়ে গেছে। এরপর বিডিআর এর হত্যা মামলা থেকেও খালাস পেয়েছেন ২৭৮ জন সদস্য। কিন্তু ২ বছর ১০ মাসের মধ্যে হত্যা মালা শেষ হলেও গত ৯ বছরে বিস্ফোরক মামলাটি শেষ হচ্ছে না। যে কারনে বছরের পর জেলে পড়ে আছেন হত্যা মামলা থেকে মুক্তি পাওয়া সদস্যরা। তারা বলেন, ২০১১ সালের ৫ জানুয়ারি হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে মামলা দুটির চার্জ গঠন করা হয়। এর মধ্যে ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর হত্যা মামলার রায় দেয়া হলেও আজও বিস্ফোরক মামলাটি চলমান রয়েছে। গত ৯ বছরে বিস্ফোরক মামলায় মাত্র ১২০ জন স্বাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। অথচ হত্যা ও বিস্ফোরক মামলার স্বাক্ষী একই। বিস্ফোরক মামলায় জামিন প্রদানে আইনগত বাঁধা না থাকলেও হত্যা মামলায় খালাস প্রাপ্তদের একজনকেও জামিন দেয়া হয়নি।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ