প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

বিতর্কিতদের অবৈধ সম্পদের খোঁজে গোয়েন্দারা

আহমেদ শাহেদ : ক্যাসিনো নিয়ন্ত্রণ, চাঁদাবাজিসহ অবৈধভাবে যারা নামে-বেনামে কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছেন, তাদের সম্পদ জব্দ হচ্ছে। সরকারের একাধিক সংস্থা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের বিতর্কিত নেতাদের সম্পদের খোঁজ নেয়া শুরু করেছে। বিতর্কিত যুবলীগ নেতাদের গ্রেপ্তারের পাশাপাশি মানি লন্ডারিং আইনেও তাদের বিরুদ্ধে মামলা হবে। এরই মধ্যে যুবলীগ দক্ষিণের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং আইনে মামলা করা হয়েছে। ওই মামলা ছাড়াও তার বিরুদ্ধে আরও চারটি মামলা হয়েছে। তবে মানি লন্ডারিং আইনে দায়ের করা মামলার তদন্ত করবে সিআইডি। অন্য মামলাগুলোর তদন্ত করবে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ(ডিবি)। সমকাল

সিআইডির ডিআইজি ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, নামে-বেনামে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কী পরিমাণ সম্পদ রয়েছে তার খোঁজ নেয়া হচ্ছে। যদি তারা সম্পদের হিসাব দিতে ব্যর্থ হয় তাহলে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, ঢাকায় অর্ধশতাধিক ক্লাব রয়েছে। এর মধ্যে ৩০টি ক্লাবে ক্যাসিনো চলতো। যারা এসব ক্লাবের সঙ্গে জড়িত নতুনভাবে তাদের তালিকা তৈরি করছেন গোয়েন্দারা। এসব তালিকা ধরে তাদের সম্পদের খোঁজ নেয়া হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকে চিঠি দিয়ে কোন হিসাব নম্বরে কার কত টাকা রয়েছে তা জানার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। যদি সম্পদ অর্জনের সঠিক ব্যাখ্যা দিতে না পারে, তাহলে তাদের ব্যাপারে নেয়া হবে আইনানুগ ব্যবস্থা।

পুলিশের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা বলছেন, ক্যাসিনো ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে যারা অর্থ-বিত্তের মালিক হয়েছেন চাইলে তাদের বিরুদ্ধে অনেক আগে থেকে অভিযান চালানো সম্ভব ছিল। সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে তাদের ব্যাপারে উষ্ফ্মা প্রকাশের পর নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। তবে দীর্ঘদিন এসব বিতর্কিত নেতার সঙ্গে পুলিশ প্রশাসনের অনেক অসাধু কর্মকর্তার গভীর সখ্য ছিলো। মতিঝিলে সবচেয়ে বেশি ক্লাব রয়েছে। ওই এলাকার দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ ও ডিবির কর্মকর্তাদের চোখের সামনে বছরের পর বছর চলতো ক্যাসিনো। এএস/কেএ

 

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ