প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সুযোগ-সুবিধা থাকা মানে এই না যা পেলাম তাই খেয়ে ফেললাম, বললেন সিইসি

খালিদ আহমেদ : শুক্রবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে বাংলাদেশ ইলেকশন কমিশন অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের তৃতীয় বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) এসব কথা বলেন তিনি।

সম্প্রতি চট্টগ্রামে রোহিঙ্গাদের কাছে এনআইডি পাওয়ার ঘটনার ইঙ্গিত টেনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা বলেছেন, ‘স্বাধীন সত্তার প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেয়া মানে এই না আমরা যাচ্ছে তাই করে বেড়াব। যে রকম খুশি আমরা ব্যবহার করবো।

সিইসি বলেন, কাজ করতে গিয়ে অনেকে ভুল করে বসে। যেমন চিটাগাং এ একটা করেছিলো। বেশি লোভী হয়ে যায় লোভ আর সামলাতে পারে না, প্রলুব্ধ হয়ে যায়। দু’একটা লোকের কর্মকাণ্ডের কারণে সারা নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ওপরে বারবার অপবাদ চলে আসে।

কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘এক সময় উপজেলা নির্বাচন অফিস ছিলো না। জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের সম্বল ছিলো একটি ব্যাগ আর যাতায়াতের বাহন ছিলো রিকশা। এখন সেই অবস্থা নেই। আপনাদের সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা দেয়া হচ্ছে। ক্ষমতাও দেয়া হয়, ক্ষমতা প্রয়োগ করতে হবে্ আমরা যদি নিজেরা শক্তিশালী না হই তাহলে কী হবে?

তিনি বলেন, আমরা এখন স্থানীয় সরকারের কোন নির্বাচনে বাইরের কাউকে দায়িত্ব দিই না। ভবিষ্যতে সব ধরনের নির্বাচনের দায়িত্ব নেয়ার জন্য আপনাদের যোগ্যতা অর্জন করতে হবে। সেটা কত দিনে হবে জানি না। আপনারা ধীরে ধীরে নিজেদের যোগ্য করে তুলুন।

স্মার্টকার্ড প্রসঙ্গে ফ্রান্সের কোম্পানির সমালোচনা করে নুরুল হুদা বলেন, ‘২০১৭ সাল থেকে তারা আমাদের যন্ত্রণা দিয়েছে। তারা সকালে এক কথা বিকেলে আরেক কথা বলেছে। তারা আমাদের ডাটাবেজও ব্যবহার করতে চেয়েছে, কিন্তু আমরা তা দিইনি। কোম্পানিটি ভেবেছিলো তারা না থাকলে হয়তো আমরা স্মার্টকার্ড আর নাগরিকদের দিতে পারবো না। কিন্তু গর্বের বিষয় হলো এটি এখন আমাদের দেশের ছেলেরা তৈরি করছে।

এ সময় নির্বাচন কমিশনার মো. রফিকুল ইসলাম, কবিতা খানম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল(অব.) শাহাদাত হোসেন চৌধুরী, ইসির সিনিয়র সচিব মো. আলমগীরসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ