প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

যুবলীগ নেতা খালেদের বিরুদ্ধে চার মামলা, ৭ দিনের রিমান্ডে

সুজন কৈরী : অবৈধ ক্যাসিনো পরিচালনার অভিযোগে গ্রেপ্তার ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে গুলশান ও মতিঝিল থানায় গতকাল বৃহস্পতিবার চারটি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে গুলশান থানায় দায়ের করা তিনটির মধ্যে অস্ত্র ও মাদকের দুই মামলায় ১৪ দিনের রিমান্ড চেয়ে তাকে পৃথক আদালতে তোলে পুলিশ। পরে শুনানি শেষে রাতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক বেগম মাহমুদা আক্তার অস্ত্র মামলায় চারদিন এবং বিচারক শাহিনূর রহমান মাদক মামলায় তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। গতকাল রাতে দুটি মামলার তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশকে। এরপর গুলশান থানা পুলিশ মামলার নথি ও আসামি খালেদ ভূঁইয়াকে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি-উত্তর) কাছে হস্তান্তর করেছে।

এর আগে দুুপরে গুলশান থানা পুলিশের কাছে খালেদকে হস্তান্তর করে র‌্যাব। এরপর পৃথক ওই থানায় তিনটি মামলা করা হয়। পরে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তাকে আদালতে পাঠানো হয়।

ডিএমপির গুলশান বিভাগের ডিসি সুদীপ কুমার চক্রবর্তী বলেন, গুলশান থানায় খালেদের বিরুদ্ধে অস্ত্র, মাদক ও মানি লন্ডারিং আইনে তিনটি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে অস্ত্র ও মাদক আইনে মামলা দুটির তদন্ত করবে ডিবি পুলিশ। ওই দুই মামলায় সাতদিনের রিমান্ডে রয়েছেন খালেদ। আর মানি লন্ডারিং আইনে দায়ের করা মামলার নথি সিআইডিতে পাঠানো হয়েছে। সেটি তারা তদন্ত করবে।
মতিঝিল বিভাগের ডিসি আনোয়ার হোসেন জানান, মতিঝিল থানায় খালেদের বিরুদ্ধে র‌্যাবের পক্ষ থেকে মাদক আইনে একটি মামলা হয়েছে। এছাড়া মাদক আইনে ওয়ার্ন্ডাস ক্লাব ক্যাসিনোর বিরুদ্ধে আলাদা মামলা করা হয়েছে। ক্লাবটির সভাপতি স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি মোল্লা মোহাম্মদ আবু কায়সার। পরিচালনা করেন স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর এ কে এম মোমিনুল হক সাঈদ। তবে মামলায় তাদের কাউকে আসামি করা হয়নি। মামলায় তুহিন মুন্সী, নবী হোসেন সিকদার ও সাইফুল ইসলামকে আসামি করা হয়েছে।

গুলিস্তানের মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ক্রীড়া চক্রে অভিযানের ঘটনায় গতকাল সন্ধ্যা পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি। অভিযানকালে ক্লাব থেকে জুয়ার সরঞ্জাম, প্রায় চার লাখ টাকা, একটি কষ্টি পাথরের মূর্তি উদ্ধার করা হয়। সম্পাদনা : রমাপ্রসাদ বাবু

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ