প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

পানি ও বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধিতে আয়ের সঙ্গে সামাল দিতে পারছে না নিম্নবিত্তরা

ফাতিমা জান্নাত : সরকারের দুই মেয়াদে দশ বছরে বিদ্যুতের দাম বেড়েছে আট বার। গ্যাস বিদ্যুতের বাড়তি দামের প্রভাবে মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি পাচ্ছে। আদালতের রায়ের কারণে প্রথম ধাপের দাম বৃদ্ধি কার্যকর হলেও দ্বিতীয় ধাপ কার্যকর হয়নি। একাত্তর টিভি, ১২:০০

এর আগে ২০১৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে গ্যাসের দাম গড়ে ২৬.২৯ শতাংশ বাড়িয়েছিল সরকার। প্রতি দুই বছর পরপরই গ্যাসের দাম ২০-২৫ শতাংশ বাড়ানো হয় । এছাড়া, ২০১৭ সালের ফ্রেব্রুয়ারিতে গ্যাসের দাম গড়ে ২২ দশমিক ৭০ শতাংশ বাড়ানো হয়। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশে উত্তোলিত গ্যাসের মধ্যে বাসা বাড়িতে ব্যবহার হয় মাত্র ১২ শতাংশ।

প্রথম মেয়াদে প্রতি ইউনিট পানির দাম ছিল ৫ টাকা ৭৫ পয়সা। বর্তমানে পানির দাম প্রতি ইউনিট ১১ টাকা ৫৭ পয়সা। বার বার বাড়লেও অভিযোগ উঠেছে ওয়াসার বিরুদ্ধে যে নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানি দিতে পারছে না তারা। ফলে বিশুদ্ধ পানির জন্য অতিরিক্ত খরচ করতে হয়। নিম্নবিত্তদেরও গ্যাসের দাম আলাদা দাম নির্ধারণ করা থাকলেও উচ্চবিত্তদের মতো করেই বিল দিতে হয়।

ভুক্তভাগীরা বলেন, গ্যাস, বিদ্যুতের দাম বাড়লে আমাদের অনেক অসুবিধা হচ্ছে। আয়ের থেকে ব্যয় হচ্ছে অনেক বেশি। গ্যাস বিদ্যুতের দাম নির্ধারণের ক্ষেত্রে বিতরণ কোম্পানিগুলোর এমন চালাকিকে প্রতারণা বলছেন ভোক্তাদের সংগঠন জ্বালানি উপদেষ্টা ।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক শামসুল আলম বলেন, এখানে ৭৭ ইউনিট আমরা ব্যবহার করছি বলে ধরে নেয়া হয়েছে। সেখানে ৩০ থেকে ৩৫ ইউনিট ব্যবহার করি কিনা তা নিয়েও সন্দেহ আছে। পিআরসির এ ভূমিকাকে চুরি হিসেবে উৎসাহিত করা হচ্ছে বলে মনে করি এবং এ ব্যাপারে নিন্দা জানাই। এ বিষয়ে সরকারের দৃষ্টি আর্কষণ থাকুক এটাই আমরা কামনা করি।

গ্যাস বিদ্যুৎ খাতের কোম্পানি গুলো এসব অনিয়ম বন্ধে আদালতে যাবে বলেও জানান তিনি। সম্পাদনা : রাশিদ

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ