প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারের কোথায় রাখা হবে তা সুনির্দিষ্টভাবে জানতে চান প্রধানমন্ত্রী

বেলাল হোসেন : জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশ মিয়ানমারের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গা ইস্যুতে কঠোর অবস্থান নেয়ার কথা বলেছে। বাংলাদেশ মিয়ানমারের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিকভাবে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করে দু’বছর ধরেই ব্যর্থতার পরিচয় দিয়ে আসছে। দু’বার প্রত্যাবাসনের তারিখ নির্ধারণ করা হলেও একজন শরনার্থীকেও মিয়ানমারের ফেরত পাঠাতে পারেনি। ফলে জাতিসংঘে নালিশ করে এবং সেখান থেকে সমাধান না এনে বাংলাদেশের কাছে বিকল্প কিছু নেই। বাংলাদেশ মনে করে জাতিসংঘের মাধ্যমে মিয়ানমারের ওপর কঠিন চাপ সৃষ্টি করতে হবে। বিবিসি বাংলা

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. আব্দুল মোমেন বলেছেন, রোহিঙ্গারা সংকটের সমাধান মিয়ানমারের হাতেই বয়েছে। মর্যাদা দিয়ে রোহিঙ্গাদের স্বদেশে ফেরত নিতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘে যাচ্ছেন ২২ সেপ্টেম্বর। সেখানে তিনি মিয়ানমার বিরোধী বেশ কিছু প্রস্তাব তুলে ধরবেন। এর মধ্য একটি দাবি হলো, রোহিঙ্গাদের কোথায় পুনবাসিত করা হবে মিয়ানমারকে তা বাংলাদেশেকে দেখতে হবে ইত্যাদি।

বাংলাদেশের জন্য আশার কথা হলো জাতিসংঘে চীন মিয়ানমার ও বাংলাদেশের মধ্যে রোহিঙ্গা নিয়ে বৈঠকে রাজী হয়েছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এবার আমরা সফল হবো।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপিকা লায়লার ভাষ্য, শক্তিশালী অনেক দেশেই মিয়ানমারের ওপর চাপ সৃষ্টিতে রাজী হয়েছেন। আবার চীনেরও ইন্টারেস্ট রয়েছে। এদিকে মুসলিম বিশ্বও বাংলাদেশের পক্ষে। সম্পাদনা : কায়কোবাদ মিলন

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ