প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ইরানের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের ‘লকড এন্ড লোডেড’ প্রস্তুতি খরচ ৭০ হাজার কোটি ডলার

রাশিদ রিয়াজ : সৌদি আরবে ইয়েমেনের ড্রোন হামলার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রয়োজনে ইরানের বিরুদ্ধে যে ‘লকড এন্ড লোডেড’ যুদ্ধ প্রস্তুতির যে আভাস দিয়েছেন তাতে পূর্ণ মাত্রায় যুদ্ধ খরচ পড়বে ৭০ হাজার কোটি ডলার। পারমানবিক অস্ত্র, রণতরী ও ড্রোন থেকে শুরু করে এমন সব অস্ত্র ব্যবহার করা হবে যা পূর্ভাভাস দিয়ে মার্কিন শীর্ষ সামরিক সূত্রগুলো বলছে উপসাগরীয় এলাকার উত্তরাঞ্চল থেকে ইরানের দক্ষিণাঞ্চলে আঘাত হানার কথা ভাবা হচ্ছে। যদিও এর আগে ইরানের বিপ্লবী গার্ড রেজিমেন্টের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে ইরানের চারপাশে ২ হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত এলাকা তাদের ক্ষেপণাস্ত্র পাল্লার মধ্যে আছে।

ব্রিটিশ মিডিয়া দি সানের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সামরিক বরাদ্দ অনুমোদনের পর তা বর্তমানে দাঁড়িয়েছে ৭১৬ বিলিয়ন ডলার। চীন ও রাশিয়া সহ ১০টি দেশের সামরিক বরাদ্দের চেয়ে এ মার্কিন বরাদ্দ বেশি। এর তুলনায় বছরে ইরানের সামরিক বরাদ্দ রয়েছে ১৩ বিলিয়ন ডলার। কিন্তু সৌদি আরবে ড্রোন হামলায় যে সফলতা পাওয়া যাচ্ছে তাতে মার্কিন সামরিক বিশেষজ্ঞরা দুশ্চিন্তায় পড়ে গেছেন। কারণ বিপুল সামরিক বরাদ্দের পাশাপাশি জঙ্গি বিমান, রণতরী বা ক্ষেপণাস্ত্রের চেয়ে অপেক্ষাকৃত সস্তা ও কার্যকরভাবে নিখুঁত হামলা করা সম্ভব হয়ে উঠেছে ড্রোনের সাহায্যে।

ইয়েমেনের সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে তারা এক বিশেষ প্রযুক্তির সাহায্যে এসব ড্রোন তৈরি করছে যা সৌদি আরবের রাডারকে ফাঁকি দিতে পারছে। মার্কিন সমরবিদরা বুঝে উঠতে পারছেন না যে হাইটেক সৌদি বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় কেন ইয়েমেনি ড্রোনগুলোকে বাধা দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। একই সঙ্গে রয়েছে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা। ২০০০ সালের শুরুতে ইউক্রেন থেকে ইরান ড্রোন প্রযুক্তি আমদানির পর তা আরো উন্নত সংস্করণে নিতে পেরেছে দেশটি। এবং এধরনের প্রযুক্তি ইয়েমেনের হাতে পৌঁছে গিয়েছে। ইরানের কুদস ও ইয়েমেনের সুমার ড্রোনকে একই প্রযুক্তির বলে মনে করছেন মার্কিন বিশেষজ্ঞরা। তবে যুক্তরাষ্ট্রই একমাত্র দেশ যে কি না এর আগে যুদ্ধে পারমানবিক অস্ত্র ব্যবহার করেছে যা ইরানে তৈরিও দেশটির সরকার নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ