প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ভারতীয় আগ্রাসন কাশ্মীরের জনগণের মৌলিক অধিকার হরণ, বললেন ডা: এম এ সামাদ

রফিক আহমেদ : গণতান্ত্রিক বাম ঐক্য’র সমন্বয়ক ডা: এম এ সামাদ বলেছেন, আসামে জাতীয় নাগরিক পঞ্জির নামে ১৯ লাখ ভারতীয় নাগরিকের-নাগরিকত্ব বাতিল করে তাদের অবৈধ অনুপ্রবেশকারী ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও তাদের রাষ্ট্র পরিচয়হীন করে অমানবিক আচরণ করা, আবার পশ্চিম বাংলার বাংলাভাষাভাষী বিপুল সংখ্যক জনগোষ্ঠীকে একই কায়দায় নাগরিকত্বহীন করে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্র করছে। বুধবার জোটের রাজধানীর তোপখানা রোডস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে তিনি এ কথা বলেন।

বাম ঐক্য’র সমন্বয়ক বলেন, ৩১ আগস্ট ভারতের বিজেপি শাসিত আসাম রাজ্যে জাতীয় নাগরিকপঞ্জ বা এনআরসি’র তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিজেপির সভাপতি অমিত শাহ পশ্চিম বাংলায়ও এনআরসি করার ঘোষণা দিয়েছে। তাদের লক্ষ্য ভারতীয় মুসলমান ও ভিন্ন মতাবলম্বীদের অনুপ্রবেশকারী ঘোষণা দিয়ে বলপ্রয়োগ করে বাংলাদেশে পাঠানো।

বাম ঐক্য’র নেতৃবৃন্দ বলেন, ভারতের হিন্দুত্ববাদী ক্ষমতাসীন বিজেপি এনআরসি ঘোষণার মাধ্যমে এদের বাংলাদেশী আখ্যা দিয়ে বাংলাদেশকে চাপে ফেলে করিডোর, ট্রানজিট, বিমানবন্দরের জন্য জমি একচেটিয়া ব্যবসাসহ বাংলাদেশকে ভারতের অঙ্গরাজ্য বানাতে চায়।

নেতৃবৃন্দ বলেন, ভারতের এই আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ভারতের আজ্ঞাবহ তাবেদার বাংলাদেশ সরকার কোন প্রতিবাদ করছে না, করতে পারবেনও না কারণ বিনাভোটে নির্বাচিত এই সরকারের ক্ষমতায় টিকে থাকতে মোদী সরকারের আশীর্বাদ ও সহযোগিতা প্রয়োজন আছে। তাই জনগণকেই মোকাবেলার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে ভারতীয় সরকারকে।

নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, রোহিঙ্গা শরণার্থী সমস্যা সমাধান না হওয়ার পেছনেও ভারত সরকারের হাত আছে, অন্তরালে মায়ানমার সরকারের পক্ষে কাজ করছে বাংলাদেশকে চাপে রাখার কৌশল হিসাবে। ভারতের জাতীয় নাগরিকপঞ্জি বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ শান্তির জন্য বিশাল হুমকি। এটা রোহিঙ্গা সমস্যার ন্যায় বাংলাদেশের জন্য, একটা নতুন শরণার্থী সংকট তৈরি করবে।

গণতান্ত্রিক বাম ঐক্য’র সমন্বয়ক ডা: এম এ সামাদের সভাপতিত্বে জোটের সভায় উপস্থিত ছিলেন মোখলেছুর রহমান, হাবিবুল ইসলাম বসুনিয়া, রফিকুল ইসলাম, অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট ইসহাক খান, বিধান দাস ও হবিবুর রহমান প্রমুখ।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ