প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ফেসবুক নিয়ন্ত্রণে নিজস্ব আদালত প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত কর্তৃপক্ষের

কেএম নাহিদ : ফেসবুকের ক্রুটি বিচ্যুতি কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায় তার দায়িত্ব বিশেষ একটি প্যানেল তৈরি করতে চাইছে কর্তৃপক্ষ। ওই প্যানেলের হাতে ফেসবুক পরিচালনা পর্ষদের ভুল সিদ্ধান্ত শোধরানোর ক্ষমতা থাকবে। এ প্যানেল স্বাধীনভাবে কাজ করবে। সম্প্রতি এমনই একটি প্যানেল তৈরির পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। সময় টিভি ১২:০০

বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২০ সালে ফেসবুকের বিশেষ এ প্যানেল প্রথম শুনানি করবে। বিতর্কিত উপাদান ও নতুন নীতিতে প্রভাবসংক্রান্ত বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ঘুরিয়ে দেয়ার ক্ষমতা থাকবে এ প্যানেলের কাছে। এ ধারণাটিকে ফেসবুকের সুপ্রিম কোর্ট বা ফেসবুকের সর্বোচ্চ আদালত বলা হচ্ছে। বিশ্বের ৪০ জন সদস্যকে নিয়ে এ প্যানেল তৈরি করা হবে। তবে প্রাথমিকভাবে এর সদস্য সংখ্যা কম থাকবে।

ফেসবুকের এ সিদ্ধান্ত নিয়ে বিশেষজ্ঞরা অবশ্য ইতিমধ্যে প্রশ্ন তুলেছেন। বিশেষ করে ফেসবুকের উদ্দেশ্য ও প্যানেলের সদস্যদের স্বাধীনভাবে কাজ করার ক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

অক্সফোর্ড ইন্টারনেট ইনস্টিটিউটের জ্যেষ্ঠ রিসার্চ ফেলো বার্নি হোগান বলেন, ফেসবুকের কোনো আদালত নেই। সেখানে শুধু সংখ্যাগরিষ্ঠ শেয়ারহোল্ডার বা মার্ক জাকারবার্গের ভোট প্রাধান্য পায়। ফেসবুকের সর্বোচ্চ আদালত নাগরিকদের কোনো দায়িত্ব ছাড়াই প্রকৃত বিচারিক অনুশীলনের সব আড়ম্বরপূর্ণ পরিস্থিতি সৃষ্টি করবে।

ফেসবুকের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, শুরুতে ১১ জনের মতো খণ্ডকালীন সদস্য নিয়ে প্যানেল তৈরি করা হবে। প্যানেলের সদস্যদের নাম ও তাদের সব বক্তব্য প্রকাশ্যে জানানো হবে। ওই প্যানেলের সদস্যরা ফেসবুকের তৈরি বিশেষ ট্রাস্টের মাধ্যমে বেতন পাবেন।

ফেসবুক প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ বলেন, প্রতিদিন আমাদের নীতিমালা প্রয়োগ করার পাশাপাশি প্রতি সপ্তাহে লাখ লাখ সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকি। তবে আমি মনে করি না, আমাদের মতো প্রাইভেট কোম্পানিগুলো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিজেরা নিতে পারে।

ফেসবুকের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তাদের তৈরি প্যানেলের মূল কাজ হবে ফেসবুকের কনটেন্ট সিদ্ধান্তের বিষয়গুলো পর্যালোচনা করা। প্রয়োজন পড়লে ফেসবুকের সিদ্ধান্ত বদলে দেয়া। ফেসবুকের বাইরে স্বাধীন কর্তৃপক্ষ হিসেবে কাজ করা। সম্পাদনা: কায়কোবাদ মিলন

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ