প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

‘বন্দুকযুদ্ধে’ গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জে নিহত ২

নিউজ ডেস্ক : জেলার শ্রীপুরে সাতখামাইর দৌলতপুর এলাকায় মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাত আড়াইটার দিকে এ ঘটনা ঘটেছে। নিহত মাসুম  পারভেজ (৩২) বরমী এলাকার মৃত. আজিজুল হকের ছেলে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করেছে র‌্যাব । চ্যানেল ২৪

এদিকে  নারায়ণগঞ্জ  শহরের সৈয়দপুর এলাকায় বুধবার ভোরে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে তুহিন নামের এক  যুবক।  তুহিনের বিরুদ্ধে মাদক, হত্যাসহ চারটি মামলা রয়েছে। সে দেওভোগ শান্তিনগর এলাকার কাওসার হোসেনের ছেলে। র‌্যাবের দাবি, তুহিন এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী ছিলেন। যুগান্তর

র‌্যাব-১ এর সহকারী পুলিশ সুপার মো. কামরুজ্জামান জানান, সাতখামাইর দৌলতপুর এলাকায় একদল ডাকাত ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে এমন সংবাদ পেয়ে র‌্যাবের টহল দল সেখানে অভিযানে যায়। এসময় ডাকাত দলের সদস্যরা র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে তাদের লক্ষে করে গুলি ছোড়ে। এসময় র‌্যাব সদস্যরাও আত্মরক্ষার্থে গুলি ছোড়লে এক পর্যায়ে মাসুদ পারভেজ গুলিবিদ্ধ হন এবং ডাকাত দলের অন্য সদস্যরা পালিয়ে যায়।

পরে ঘটনাস্থল থেকে মাসুদ পারভেজকে উদ্ধার করে শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

এসময় ঘটনাস্থল থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, ৬টি ওয়ান শুটারগান, একটি শর্টগান, দুই রাউন্ড গুলি ও ১৩টি কাটপিস উদ্ধার করে। নিহত মাসুদ পারভেজের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। এব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলেও র‌্যাবের এ কর্মকর্তা।

নারায়ণগঞ্জের কালিবাজারের ক্যাম্প ইনচার্জ এএসপি মোস্তাফিজুর রহমান জানান, কুমিল্লার দেবিদ্বার থেকে মঙ্গলবার রাতে সন্ত্রাসী চাপাতি তুহিনকে আটক করে র‌্যাব। তার দেয়া তথ্য অনুযায়ী বুধবার গভীর রাতে নগরীর সৈয়দপুর এলাকায় অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার করতে যায় র‌্যাব।

এসময় র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে তুহিনের সহযোগীরা তাকে ছাড়িয়ে নেয়ার চেষ্টা করে এবং র‌্যাব সদস্যদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়। র‌্যাবও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি ছোড়ে। পরে ঘটনাস্থলে তুহিনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়।

গুরুতর অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনাস্থল থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন ও তিন রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।

এর আগে র‌্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হাসান বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড ছিলেন চাপাতি তুহিন। তার বিরুদ্ধে হত্যা, চাঁদাবাজিসহ চারটি মামলা রয়েছে।

নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ