প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

দন্ডবিধি শোভন-রাব্বানীর অপরাধের শাস্তির ব্যাপারে কী বলে?

হারুন উর রশিদ : দন্ডবিধির ৩৮৫, ৩৮৬ এবং ৩৮৭ ধারায় চাঁদাবাজির অপরাধ বা চাঁদা দাবীর অপরাধ, বিচার প্রক্রিয়া এবং দন্ড সম্পর্কে বলা আছে। ৩৮৫ ধরায় বলপূর্বক গ্রহণের উদ্দেশ্যে কোনো ব্যক্তিকে কোনো ক্ষতির ভীতি প্রদর্শন। এই ধারায় স্পষ্ট যে চাঁদা দাবি করলেই অপরাধ হয়েছে বলে ধরে নেয়া হবে। চাঁদা নেয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে না। দন্ড : এই অপরাধে সর্বোচ্চ ১৪ বছর এবং সর্ব নি¯œ ৫ বছরের কারাদন্ড, অর্থদন্ড বা উভয় দন্ড হতে পারে। এই অপরাধ জামিনযোগ্য নয়। আপোসযোগ্যও নয়। বিশেষ ক্ষমতা আইনের অধীনে বিশেষ ট্রাইব্যুনালে এই অপরাধের বিচার হবে।

৩৮৬ এবং ৩৮৭ ধারা চাঁদাবাজি সংঘটিত হলে প্রযোজ্য। আমরা যে তথ্য পেয়েছি তাতে শোভন-রাব্বানী চাঁদা দাবি করেছেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত চাঁদা পাননি। তাই এটা ৩৮৫ ধরায় একটি ফৌজদারী অপরাধ। যার সর্বোচ্চ শাস্তি ১৪ বছরের কারাদন্ড। শোভন-রাব্বানীকে ছাত্রলীগের পদ থেকে অপরাসারণ করা হয়েছে। এটা বিভাগীয় ব্যবস্থা। কিন্তু তাদের কিরুদ্ধে এখনো আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। তারা যে অপরাধ করেছেন তাতে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে তাদের কারাগারে পাঠানোর কথা। তাদের বিচারের মুখোমুখি হওয়ার কথা। সেটা কি হবে? যদি না হয়, তাহলে আইনের শাসন আর থাকলো কোথায়? ফেসবুক থেকে

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ