প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

রেলের দরকার ১২০ ইঞ্জিন, ভারত উপহার দিচ্ছে ২০টি

মাজহারুল ইসলাম : অনেক আগেই বাংলাদেশ রেলওয়ের ৭২ শতাংশ ইঞ্জিনের (লোকোমোটিভ) অধিকাংশেরই আয়ুষ্কাল পেরিয়ে গেছে। নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও ৫০ শতাংশ ইঞ্জিনের ওভারহোলিং হয়নি। গত কয়েক বছরে রেলবহরে ২৭০টি নতুন কোচ যুক্ত হলেও যুক্ত হয়নি নতুন লোকোমোটিভ। আর তাই ১২০টি ইঞ্জিন কেনার চুক্তি করেছে রেলওয়ে। এসব ইঞ্জিন বহরে যুক্ত হতে ২ বছর বা তার বেশি সময় লাগতে পারে। এ অবস্থায় অন্তর্র্বতীকালীন সংকট মেটাতে দ্রুত ভারত থেকে আনা হচ্ছে ২০টি লোকোমোটিভ। এর মধ্যে ১০টি ব্রডগেজ ও ১০টি মিটারগেজ। এগুলো পাওয়া যাবে বন্ধুত্বের নিদর্শন হিসেবে। ইত্তেফাক

এ বিষয়টি নিশ্চিত করে মন্ত্রণালয়ের সচিব মোফাজ্জল হোসেন বলেন, ইঞ্জিনের (লোকোমোটিভ) সংকটে রেলের যাত্রীসেবা নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয় নিত্যদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ অবস্থায় নতুন ইঞ্জিন দেশে না পৌঁছা পর্যন্ত ভারত থেকে ২০টি ইঞ্জিন আনার সিদ্ধান্ত নেয়া হয় কয়েক মাস আগে। সবশেষ ৬ আগস্ট রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন ভারতের রেলপথ, বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী পীযূশ গোয়েলের আমন্ত্রণে ভারত সফর করেন। এ সময় ইঞ্জিনসহ আরো কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

সচিব জানান, এক-দুই মাসের মধ্যে ভারত থেকে ২০টি রেল ইঞ্জিন বন্ধুত্বের নিদর্শন হিসেবে পাওয়া যাবে। তিনি আরো বলেন, এ ব্যাপারে এখন ডিপ্লোম্যাটিক চ্যানেলে যোগাযোগ চলছে। প্রধানমন্ত্রী আগামী মাসে ভারত সফরে যাচ্ছেন,ওই সময় এ বিষয়টি চূড়ান্ত হবে।

মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, বর্তমানে রেলওয়ের সচল ইঞ্জিন রয়েছে ২৭৩টি। এসব ইঞ্জিন দিয়ে সারাদেশে ৩৪১টি যাত্রীবাহী এবং বেশ কয়েকটি পণ্যবাহী ও তেলবাহী ট্রেন পরিচালনা করা হচ্ছে। ২৭৩টি ইঞ্জিনের মধ্যে আয়ুষ্কাল পেরিয়ে যাওয়া বিশেষ করে ২০ বছরের বেশি বয়সি ১৯৫টি। এগুলোর বয়স ২১ থেকে ৬৫ বছর। মাত্র ৭৮টির আয়ুষ্কাল ২০ বছরের কম। পুরোনো ইঞ্জিনের মধ্যে ১৩৬টির সময়মতো মেরামত (ওভারহোলিং) করা হয়নি। অথচ প্রতিটি ইঞ্জিন ৩ ও ৬ বছর পর পর হালকা ও মাঝারি মানের ওভারহোলিং করতে হয়। আর ১২ বছর পর করতে হয় ভারী ওভারহোলিং। সময়মতো ওভারহোলিং না করায় ইঞ্জিন বিকলসহ তা পরিবহন সক্ষমতা কমে যাচ্ছে।

এমআই/এসবি

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ