প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

অবহেলায় সংকুচিত হচ্ছে চামড়া শিল্প

খালিদ আহমেদ : অভ্যন্তরীণ কাঁচামালনির্ভর দেশের দ্বিতীয় প্রধান রপ্তানি খাত চামড়া শিল্পের দিকে নজর নেই সরকারের সংশ্লিষ্ট দুই মন্ত্রণালয়ের। চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানির বিষয়টি দেখভালের দায়িত্বে থাকা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কোনো এখতিয়ার নেই ট্যানারি শিল্পে হস্তক্ষেপের। অন্যদিকে ট্যানারি খাত সরাসরি শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন হলেও এ খাতের উন্নয়নে সাভারে ট্যানারিপল্লী স্থাপন প্রকল্প বাস্তবায়ন ছাড়া কার্যত কোনো কাজ নেই মন্ত্রণালয়টির। এ অবস্থায় চামড়া খাত দিন দিন সংকুচিত হচ্ছে, দামের অভাবে মূল্যবান কাঁচা চামড়া নষ্ট হচ্ছে। দেশ রূপান্তর

কোরবানির কাঁচা চামড়ার দামে ধসের পেছনে ব্যবসায়ীদের কারসাজি ছাড়াও ট্যানারিগুলোর দুরবস্থাও দায়ী বলে মনে করছেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা। তারা বলছেন, এ খাতের রপ্তানির বিপরীতে ১০ শতাংশ নগদ সহায়তা দেয়া সত্ত্বেও ২০১৭ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি কমছে।

এর পেছনে বড় কারণ সাভারে ট্যানারিপল্লীর কেন্দ্রীয় বর্জ্য পরিশোধনাগারের (সিইটিপি) সার্টিফিকেশন না থাকা ও লেদার ওয়ার্কিং গ্রুপের সনদ না থাকায় বাংলাদেশি চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের দাম আন্তর্জাতিক বাজারে কমে গেছে। এটি নিশ্চিত করা শিল্প মন্ত্রণালয়ের কাজ হলেও ১৬ বছর ধরে সাভারে ট্যানারিপল্লী বাস্তবায়নকালেও তা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মফিজুল ইসলাম বলেন, চামড়া শিল্পখাত আমরা দেখি না। আমাদের কাজ শুধু রপ্তানি অংশটুকু দেখা। সিইটিপির সার্টিফিকেশন না থাকা ও লেদার ওয়ার্কিং গ্রুপের সনদ না থাকায় রপ্তানি কমে যাচ্ছে। এগুলো দেখা শিল্প মন্ত্রণালয়ের কাজ। আমরা শুধু ট্যানারি ব্যবসায়ীদের আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে উৎপাদন করার কথা বলতে পারি। কিন্তু এসব মানদন্ড নিশ্চিত করার কাজ শিল্প মন্ত্রণালয়ের।

শিল্প সচিব আবদুল হালিম বলেন, সিইটিপি পুরোদমে কাজ করছে। আর লেদার ওয়ার্কিং গ্রুপের মানদন্ডে ১৩৬২ পয়েন্ট রয়েছে। এর মধ্যে ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট ও ইফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্টের জন্য ২০০ পয়েন্ট। এ গ্রুপের সনদ অর্জনে বাকি পয়েন্টগুলোর দিকে মনোযোগ দেয়া হচ্ছে।

কেএ/এসবি

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ