প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

জননিরাপত্তা আইনে গ্রেপ্তার কাশ্মীরের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ফারুক আবদুল্লাহ

সাইফুর রহমান : ভারত শাসিত কাশ্মীরের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং সংসদ সদস্য ফারুক আবদুল্লাহকে একটি বিতর্কিত আইনে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই আইনে একজন নাগরিককে রাষ্ট্র কোনো অভিযোগ দায়ের না করে কিংবা বিনা বিচারে দুই বছর পর্যন্ত আটক করে রাখতে পারে। ৮১ বছর বয়সী এই প্রবীণ রাজনীতিবিদকে হিমালয় অঞ্চলের গ্রীষ্মকালীন রাজধানী শ্রীনগরে তার বাসভবন থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। ৫ আগস্ট থেকে কাশ্মীরে অচলাবস্থা শুরু হওয়ার পর গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক নেতাদের গ্রেপ্তার করা হয়, তখন আবদুল্লাহকেও গৃহবন্দি করা হয়। এনডিটিভি,দি ডন,টাইম.কম

মুনির খান নামের একজন শীর্ষ পুলিশ কর্মকর্তা তাকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এই আটকাদেশ কতটা দীর্ঘায়িত হবে তা কমিটি সিদ্ধান্ত নেবে। আবদুল্লাহ প্রথম ভারতীয় রাজনীতিবিদ যিনি জননিরাপত্তা আইনে গ্রেপ্তার হয়েছেন। মানবাধিকার কর্মীরা জানিয়েছেন, গত দুই দশকে ২০ হাজারেরও বেশি কাশ্মীরিকে এই আইনে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এই আইনটিকে আইনহীন আইন বলে আখ্যা দিয়েছেন। এছাড়া মানবাধিকার সংগঠনগুলোর মতে, ভারত এই আইন প্রনয়ণ করে আইনের শাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়েছে এবং স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতাকে পাশ কাটিয়ে ভিন্নমতকে প্রতিহত করছে।

৬ আগস্ট ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ পার্লামেন্টের নি¤œকক্ষে কাশ্মীর ইস্যু নিয়ে বিতর্কে আবদুল্লাহকে আটক অথবা গ্রেপ্তারের বিষয়টি অস্বীকার করেন। আবদুল্লাহর আটক হওয়ার ঘটনায় অন্যান্য সংসদ সদস্যরা উদ্বেগ প্রকাশ করলে তিনি বলেন, কেউ ইচ্ছাকৃত বাড়ি থেকে না বের হলে তাকে তো আমরা বন্দুকের নলের মুখে বের করে আনতে পারি না।

উল্লেখ্য, ১৯৪৭ সালে ভারত ভাগ হবার পর কাশ্মীরকে বিশেষ মর্যাদা দেয়া হয়। পাকিস্তান এবং ভারত দু’দেশই এর পূর্ণ মালিকানা দাবি করলেও কেবল নিজেদের অধিকৃত অঞ্চলেই দু’দেশের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ