প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

রোহিঙ্গাদের পাসপোর্ট তৈরিতে নির্বাচনী কর্মকর্তাদের জড়িত থাকার প্রমাণ পেয়েছে দুদক

ফাতিমা জান্নাত : মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের একাংশ নানা কৌশলে জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরি করেছে। বিবিসি বাংলা, ৭:৩০

রোহিঙ্গাদের ভুয়া পরিচয়পত্রের বিষয়ে তদন্তের জন্য চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ও জেলা নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

নির্বাচন কমিশনের সার্ভারে রোহিঙ্গাদের এনআইডি সংরক্ষিত থাকার প্রমাণ এবং এ ঘটনায় জনপ্রতিনিধিসহ এই দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জড়িত থাকার তথ্য-প্রমাণ পেয়েছে।

নির্বাচন কর্মকর্তারা দাবি করছেন, এসব রোহিঙ্গার তথ্য ঢাকা থেকে সার্ভারে সংযুক্ত করা হয়েছে। চট্টগ্রাম থেকে কিছুই আপলোড হয়নি।

চট্টগ্রাম জেলা নির্বাচন কমিশনারের কার্যালয়ে থেকে চার বছর আগে নিখোঁজ হয়ে যাওয়া কয়েকটি ল্যাপটপ এ কাজে ব্যবহৃত হয়েছে এমন প্রমাণ পাওয়া গেছে। কয়েক দফা তদন্তের পর সন্দেহ করা হচ্ছে যে বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মচারি এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের একাংশ এ সবের সাথে জড়িত বলছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের তদন্তকারীরা।

চট্টগ্রাম দুদকের উপ সহকারি পরিচালক মো.শরিফ উদ্দিন বলেন, নির্ববাচন কমিশনের কতিপয় কর্মচারি রোহিঙ্গাদের নির্বাচনের সময় পরিচয়পত্র তৈরি করতে সাহায্য করেছে। তারা ল্যাবটপ ব্যবহার করেছিল। এটি খুবই আতঙ্কের বিষয়। পরে গিয়ে এটি পাওয়া যায়নি।

আমরা ধারণা করছি এ ল্যাবটপের মাধ্যমেই রোহিঙ্গারা তাদের পরিচয়পত্র তৈরি করেছে। কে কে ভোটার হলো নির্বাচন কমিশন অফিসে গিয়েও কোন প্রমান পাওয়া যায়নি। জনপ্রতিনিধির কাছে গিয়েছিলাম তাদের কাছেও কোন প্রমান পাইনি। কক্সবাজার থেকে লোক নিয়ে এসে তারা এই কাজ করেছে।

নিজেদের পরিচয়পত্র বানিয়েছেন মোট ৫৪জন ব্যক্তি। অনলাইন এবং বিভিন্ন মিডিয়া এটি শনাক্ত করেছে। নির্বাচন কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী এখন পর্যন্ত ৪৬ জন রোহিঙ্গাকে শনাক্ত করেছেন। এর সংখ্যা আরও অনেক রয়েছে।

যারা তথ্য গোপন করে জালিয়াতির মাধ্যমে জাতীয় পরিচয়পত্র নিয়েছেন এবং কেন্দ্রীয় সার্ভারে তাদের তথ্য সংরক্ষিত আছে।
আইনশৃঙ্খলাবাহিনী যদি নিজেদের দায়িত্ব পালন করে না করে তখন আসলে আমাদেরকে দেখতে হয়। আমরা দেখবো এগুলো কারা কারা করে। সম্পাদনা : রাশিদ,কায়কোবাদ মিলন

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ