প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

টাঙ্গাইলে ১০ জুতাপেটায় শেষ দুই শিশু ধর্ষণ চেষ্টার বিচার

অলক কুমার দাস, টাঙ্গাইল : জেলার দেলদুয়ারে এমন ঘটনা ঘটেছে। প্রতিবেশীর ৭ বছরের দুই শিশুকে একা পেয়ে ধর্ষণ চেষ্টা করেছেন সলিম বিল্লাহ(৫৫)। এ সময় অভিভাবকরা উপস্থিত হলে শেষ অবধি ব্যর্থ হয়েছেন তিনি। ঘটনাটি চেপে রাখতে স্থানীয় ইউপি সদস্যসহ বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী গ্রাম্য মাতাব্বররা তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

ধর্ষণ চেষ্টার শিকার এক শিশুর চাচী জানান, গত শুক্রবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় আমার সাংসারিক কাজে গম মাপার জন্য পাশর্^বর্তী বাড়ি মৃত বেলায়েত হোসেনের ছেলের সলিম বিল্লাহ বাড়িতে দাড়িপাল্লা আনার জন্য যাই। তখন তিনি বলেন, আমার বউ বাসায় নাই, রাতে খাব কি?
পরে আমি আমার ভাতিজি ও মেয়েকে ওই বাড়িতে রেখে তার রাতের খাবার ভাতের জন্য আমার বাড়িতে আসি। কিছুক্ষণ পর ভাত নিয়ে গিয়ে দেখি আমার ভাতিজির (৭) পরনের কাপড় খুলে সলিম বিল্লাহ চেষ্টা করছে।আর আমার মেয়েকে ভয় দেখিয়ে পাশে বসিয়ে রাখে।

সেসময় আমি চিৎকার-চেঁচামেচি করলে এলাকার কয়েকজন লোক এসে তাকে আমার পা ধরা অবস্থায় দেখে। পরে এলাকার লোকজন জড়ো হয়ে সলিম বিল্লাহকে মারধর করে।

স্থানীয় মজনু মিয়া ও ঝর্ণা বেগম জানান, এঘটনায় আটিয়া ইউপি সদস্য জয়নাল উদ্দিন, সাবেক চন্দন চেয়ারম্যানের ভাই কামাল, শাজাহান আলী, স্থানীয় মাতাব্বর মুকুল মাস্টারের বাহামভূক্ত লোকজন ও রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে অভিযুক্ত সলিম বিল্লাহকে ১০টি জুতার বারি দিয়ে ঘটনাটি ধামাচাপা দিয়ে দেয়।

ঘটনার শালিস পরিচালনাকারী ও ৭ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জয়নাল উদ্দিন বলেন, আমরা শালিস করে অভিযুক্তকে ১০টি জুতার বারি দিয়ে মিমাংসা করে দিয়েছি।

এ প্রসঙ্গে আটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. সিরাজ হোসেন মল্লিক বলেন, আমি ঘটনা জানতাম না, আপনাদের মাধ্যমে জানলাম। ঘটনাটি অত্যান্ত ন্যাক্কারজনক। বিষয়টি খতিয়ে দেখে যতদ্রুত সম্ভব প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে ।

এ ব্যাপারে দেলদুয়ার থানার অফিসার ইনচার্জ একেএম সাইদুল হক ভুঁইয়া বলেন, ঘটনাটি আমার জানা নেই এবং থানায় কেউ কোন অভিযোগও করেনি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সম্পাদনা: সুতীর্থ

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ