প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

১ লাখ ৬৬ হাজার ধর্ষণ,পকসো মামলার বিচার করতে প্রচুর ফাস্ট ট্র্যাক কোর্ট গঠনের পরিকল্পনা ভারতের

রাশিদ রিয়াজ : ভারতের কেন্দ্রীয় আইন মন্ত্রকের এই প্রস্তাব অনুযায়ী, বিশেষ আদালতগুলি প্রত্যেকটি প্রতি বছর কমপক্ষে ১৬৫ টি মামলা নিষ্পত্তি করবে। ধর্ষণের অভিযোগের মোট ১,৬৬,৮৮২ টি মামলা এবং পকসো আইনের আওতাধীন মামলাগুলি বিভিন্ন আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। বিচারাধীন মামলাগুলির দ্রুত বিচার সম্পন্নের জন্য ১,০২৩ টি বিশেষ ফাস্ট ট্র্যাক কোর্ট গঠনের প্রস্তাব দিয়ে ভারতের কেন্দ্রীয় আইন মন্ত্রকের অধীনে বিচার বিভাগের একটি প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, মোট ১,০২৩ টি এফটিএসসি গঠন করা হবে, যার মধ্যে ৩৮৯ টি আদালত, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী, শিশুদের যৌন অপরাধ (পকসো) আইন অনুসারে নিবন্ধিত মামলাগুলি একচেটিয়া পরিচালনা করবে। বাকি ৬৩৪ টি এফটিএসসি সওয়াল জবাব এবং প্রয়োজনীয়তার উপর নির্ভর করে ধর্ষণের অভিযোগ মামলা বা ধর্ষণ এবং পকসো আইন উভয় ক্ষেত্রেই মামলা পরিচালনা করবে।

নতুন ওই পরিকল্পনায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, ভারতে ৩৮৯ টি জেলা রয়েছে যেখানে পকসো আইনের অধীনস্থ বিচারাধীন মামলাগুলির সংখ্যা ১০০ ছাড়িয়ে গেছে। সুতরাং আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী এই জেলাগুলির প্রত্যেকটিতেই একটি করেই একচেটিয়া পকসো আদালত থাকবে, যা অন্য কোনও মামলার বিচার করবে না। এর আগে কেন্দ্রীয় আইন মন্ত্রক বলেছিল, এই এফটিএসসি স্থাপনের প্রক্রিয়া আগামী ২ অক্টোবর থেকে শুরু হতে পারে।

মোট ৭৬৭.২৫ কোটি টাকার বাজেটে বিচার বিভাগ ১,০২৩ টি ফাস্ট ট্র্যাক আদালত গঠনের প্রস্তাব করেছিল। এর জন্যে বছরে ৪৭৪ কোটি টাকা নির্ভয়া তহবিল থেকে জোগাবে কেন্দ্র । ২০১২ সালের ১৬ ডিসেম্বর দিল্লিতে এক ছাত্রীকে গণধর্ষণ ও হত্যার পর ২০১৩ সালে নয়া এই তহবিল গঠন করে কেন্দ্রীয় সরকার। এটি সরকার এবং বিভিন্ন এনজিওগুলির মহিলাদের সুরক্ষার লক্ষ্যে কাজ করার উদ্যোগকে সমর্থন করার জন্য তৈরি করা হয়েছিল।

৮ অগাস্ট মন্ত্রিপরিষদ সচিবালয়ের এক চিঠিতে ভারতের বিচার বিভাগ জানিয়েছে, ১১ জুলাই অর্থ কমিটির ব্যয় সুপারিশ ও আইনমন্ত্রীর অনুমোদনের পরে প্রস্তাবটি অনুমোদনের জন্য গত ১১ জুলাই অর্থমন্ত্রীর কাছে প্রেরণ করা হয়েছে। “একযোগে, অন্যান্য সংযুক্ত পদক্ষেপও নেওয়া হচ্ছে যেহেতু এফটিএসসি স্থাপনের পরিকল্পনা ২ অক্টোবর, ২০১৯ থেকে শুরু করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে”, জানায় বিচার বিভাগ ।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ