প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

শোভন-রাব্বানীর শাস্তি প্রাকৃতিকভাবেই হয়েছে, বললেন নাঈমুল ইসলাম খান

বেলাল হোসেন : রোববার রাতে এটিএন নিউজে প্রভাষ আমিনের উপস্থাপনায় টকশোতে অংশ নেন আমাদের নতুন সময়ের  প্রধান সম্পাদক নাঈমুল ইসলাম খান ও এডভোকেট রিয়াজুল কবির কাওছার । বিষয় ছিলো শুদ্ধি অভিযান, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে সংগঠন থেকে বের করে দেয়া নিয়ে আলোচনা হয়। এডভোকেট কাওছার বলেন, ছাত্রলীগ কমিটি থেকে এর আগে ১৯ জনকে বের করে দেয়া হয়েছিলো । কেন না সব সময়ই আওয়ামী লীগকে বিতর্কিত করার একটা প্রয়াস লক্ষ্য করা গেছে গেছে। বিতর্কের জন্যই তাদের বের করে দেয়া হয়েছিলো। এখনো নানা অভিযোগের ভিত্তিতে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি , সাধারণ সম্পাদককে বের করে দেয়া হলো।

নাঈমুল ইসলাম খান বলেন, মিডিয়া কিন্তু সত্যিকার অর্থেই এখন স্বাধীন। অনেকে এর উল্টো বলেন । এখন কোনো বিজনেস হাউসের কথা কোনো মিডিয়া যদি গোপন করে, তাহলে আরেক মিডিয়া তা ফাঁস করে দেয়। ফলে একদেশদের্শী হওয়ার চেয়ে মিডিয়ায় অসম্ভব একটা ভারসাম্যের সৃষ্টি হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়া বা সিটিজেন জার্নালিজমে সব কথা চলে আসছে। সোস্যাল মিডিয়ার যে ঐশ্বর্য তা এক কথায় বলে শেষ করা যাবে না।

নাঈমুল ইসলাম খান বলেন, ব্যাপক উন্নয়ন কার্যক্রম চলছে সারা দেশে। দুর্নীতিও সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ছে স্বাভাবিক ভাবেই। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, গ্রামকে শহর বানাবেন। ফলে গ্রামে উন্নয়নমূলক কার্যক্রম হচ্ছে। দুর্নীতি সে ক্ষেত্রে হবেই। কিন্তু দুর্নীতি  রোধে সরকারকে সেভাবেই পদক্ষেপ নিতে হবে। সরকার তা নিতে আন্তরিকও।

এক দর্শক প্রশ্ন করেন, বঙ্গবন্ধুকে অনেকে বিক্রি করছে। এরা কারা ?

নাঈমুল ইসলাম খান বলেন, বঙ্গবন্ধুর আমলে যে ধরনের রাজনীতি ছিলো,  সে প্রেক্ষাপট এখন অনুপস্থিত। এখনকার রাজনীতিতে দরদ নেই। ছাত্রলীগের নেতাদের যখন টাকা বিতরণ করতে দেখি তখন অবাক হই। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, চাঁদাবাজি জায়েজ করার জন্য তারা হয়তো আমার নামে মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করে।

নাঈমুল ইসলাম খান বলেন, এখন অনেকের মধ্যেই রাজনৈতিক আদর্শ বলতে কিছু নেই। বঙ্গবন্ধুকে আদর্শিকভাবে বিক্রি করা হয় না। চাঁদাবাজি করার লক্ষে বঙ্গবন্ধুকে বিক্রি করা হচ্ছে। শেখ হাসিনারা যখন ইয়ুথ, তারা ভালমন্দ খেতে পারেননি । বাবা জেলে। কেন না ঐ পরিবারের আয় ছিলো  না। শেখ হাসিনার বিয়েও কিন্তু ঘটা করে হয়নি। তাদের গ্রামে গিয়েও থাকতে হয়েছে। যাহোক প্রধানমন্ত্রী ছাত্রলীগের দুই নেতাকে মনস্টার হিসেবে অভিহিত করেছেন। আমি বলবো এরা আউট অব আউট বেয়াদব। এদের ঔদ্ধত্য দুঃখজনক। আমি আমার ভাষায় বলবো, এরা হলো বেয়াদব। আমি কখনই তাদের এ ভাষায় চিত্রিত করতাম না । প্রধানমন্ত্রী বলার পর আমার সাহস হয়েছে। প্রাকৃতিকভাবেই তাদের শাস্তি হয়েছে। অনেক নেতা , সংগঠন এ থেকে শিক্ষা নিতে পারবে। বহুনেতা কর্মী সতর্ক হবেন।

সম্পাদনা : কায়কোবাদ মিলন ও সালেহ্ বিপ্লব

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ