প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

‘ছাত্রদলের কাউন্সিল আটকাতে আদালতের মাধ্যমে হস্তক্ষেপ করছে সরকার’

ডেস্ক রিপোর্ট : বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ছাত্রদলের কাউন্সিলে আদালতের অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার পর এখন ছাত্রদলই নতুন করে নিজেদের সিদ্ধান্ত নেবে। এ বিষয়ে বিএনপির কোনো হস্তক্ষেপ নেই। ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে বিএনপিকে জানাবে। দেশ রুপান্তর

শুক্রবার বিকেলে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ সব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, ছাত্রদলের কাউন্সিল বাস্তবায়নে দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা রয়েছে। কবে নাগাদ এ কাউন্সিল হবে তা দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা জানাবেন। তবে এখানে সরাসরি বিএনপির কোনো হস্তক্ষেপ নেই।

ছাত্রদলের কাউন্সিল নিয়ে মামলা প্রসঙ্গে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ছাত্রদলের কাউন্সিল ইস্যুতে আদালত আমাদের কাছে নোটিশ দিয়েছেন। আদালতের যা জিজ্ঞাসা রয়েছে তার জবাব আইনিভাবেই আমরা দেব।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, ছাত্রদলের কাউন্সিল আটকানোর জন্য আদালতের মাধ্যমে সরকার সরাসরি হস্তক্ষেপ করছে। এই হস্তক্ষেপের নজির পৃথিবীর আর কোনো দেশে আছে বলে আমাদের জানা নেই। আমরা সরকারের এমন কর্মকাণ্ডের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

এর আগে কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে মির্জা ফখরুল ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ড. আব্দুল মঈন খান, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বেগম সেলিমা রহমান ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। বৈঠকে স্কাইপের মাধ্যমে যুক্ত হন লন্ডনে অবস্থানরত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

শনিবার ছাত্রদলের ষষ্ঠ কাউন্সিল হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ছাত্রদলের বিলুপ্ত কমিটির সহ ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মো. আমান উল্লাহর দায়ের করা এক মামলায় বৃহস্পতিবার বিকেলে কাউন্সিলে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন ঢাকার চতুর্থ সহকারী জজ নুসরাত জাহান বিথি। কাউন্সিল অনুষ্ঠানের বিষয়ে কেন স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হবে না তা জানতে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ ১০ নেতাকে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেন আদালত। বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আদেশের কপি পৌঁছায়।

ছাত্রদলের বিলুপ্ত কমিটির দপ্তর সম্পাদক আব্দুস সাত্তার পাটোয়ারী দেশ রূপান্তরকে বলেন, আদালতের অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার কারণে আপাতত কাউন্সিলর কার্ড বিতরণ বন্ধ রাখা হয়েছে। এছাড়া শুক্রবার বিকেলে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক প্রার্থীদের সঙ্গে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির নেতাদের যে বৈঠক হওয়ার কথা ছিল তা স্থগিত করা হয়েছে।

কাউন্সিলের ওপর আদালতের অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে শুক্রবার দুপুরে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন সংগঠনের নেতাকর্মীরা। আদালতের এমন আদেশের জন্য তারা সরকারকে দায়ী করেন। বিক্ষোভ মিছিলে নেতৃত্ব দেন ছাত্রদলের সভাপতি প্রার্থী ফজলুর রহমান খোকন, সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী মো. মোস্তাফিজুর রহমান, বিলুপ্ত ছাত্রদলের বিলুপ্ত কমিটির নেতা মো. আব্বাস আলী।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ