প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

বুধবার লাদাখে মুখোমুখি ছিলো চীন-ভারতের সেনা, হয়েছে হাতাহাতি

আসিফুজ্জামান পৃথিল : ভারতের সেনাসূত্র জানিয়েছে বুধবার সারাদিন লাদাখ সীমান্তে মুখোমুখি অবস্থানে ছিলো দুদেশের সেনারা। ফলে সৃষ্টি হয় সামরিক অচলাবস্থা। বুধবার সকালে বিখ্যাত প্যাংগন হ্রদের ধারে টহল দিচ্ছিলেন ভারতীয় সেনারা। এসময় চীনা সেনারা তাদের আটকে দেয়। এক পর্যায়ে হাতাহাতি ও ধাক্কাধাক্কি শুরু হয় দুই পক্ষের মধ্যে। লাদাখকে কেন্দ্রশাষিত অঞ্চলে পরিণত করার পর প্রথম এ ধরণের ঘটনা ঘটেছে। এনডিটিভি, টাইমস অব ইন্ডিয়া, বিবিসি

এই অতি উচ্চ হ্রদ যা ভারত থেকে তিব্বত পর্যন্ত বিস্তৃত, তার দুই তৃতিয়াংশই রয়েছে চীনের নিয়ন্ত্রণে। এরপরই দুই দেশের সেনারা মুখোমুখি অবস্থানে চলে যায়। দুই দেশের সেনাদের কথাকাটাকাটি পরিণত হয় হাতাহাতিতে। তবে তা অস্ত্রহীনই ছিলো। কোনো পক্ষই গুলি করেনি। পরে দুই দলই আরো শক্তি চেয়ে বার্তা পাঠায়। সন্ধ্যা পর্যন্ত চলে এই সামরিক অচলাবস্থা। এক পর্যায়ে যুদ্ধ শুরুর সম্ভাবনাও দেখা দেয়। সেনাসূত্রটি টাইমস অব ইন্ডিয়াকে বলেছে, ‘এই বিষয়টি গতকাল (বুধবার) সম্পূর্ণভাবে ক’টনৈতিক পর্যায়ে আলোচনার ভিত্তিতে সমাধান করা হয়েছে। লাইন অব অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল-এলএসি নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন দাবির কারণে এটি হয়েছে। এ ধরণের সমস্যা যাতে আর না হয় আমরা সেজন্য উদ্যোগ নিয়েছি।’ এই পর্যটকপ্রিয় এলঅকাটাটিতে এর আগেও ভারও ও চীনের সেনাদের মধ্যে সমস্যা হয়েছে। তাই বেশ অনেকবছর বাংলাদেশসহ বিদেশী পর্যটকদের এখানে যাওয়ার নিষেধাজ্ঞা ছিলো।

২০১৭ সালের আগস্টেও, দুইপক্ষের সেনাদের মধ্যে পারস্পরিক ঝামেলার একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে ভাইরাল হয়েছিল। ঐ ভিডিওতে দেখা যাচ্ছিল যে, দুই দেশের কয়েকজন সেনা একে অপরকে ঘুষি মারছে এবং লাথি মারছে। এমনকি একে অপরকে পাথর ছুঁড়ছে এই দৃশ্যও দেখা যায় ভিডিওটিতে। ভারতের সর্বশেষ স্বাধীনতা দিবসেও চীনের সেনাবাহিনী প্যাঙগং হ্রদের তীরে ভারতীয় ভূখণ্ড প্রবেশের চেষ্টা করছিল বলে অভিযোগ ওঠে। সেই সময় দুই ঘণ্টা চেষ্টার পরে ভারত-চীন সীমান্ত অঞ্চলে তৈরি হওয়া ওই উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। তবে দুই দেশের সেনাই তাঁদের নিজের অবস্থান থেকে সরে আসার আগে বিতর্কিত অঞ্চলটিতে নিজেদের দেশের অধিকার ঘোষণা করে ব্যানার আটকায় সেখানে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত