প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

আমরা কফি উৎপাদন বাড়ানোর জন্য কাজ করছি, বললেন কৃষিমন্ত্রী

জান্নাতুল পান্না: কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক বলেন, আমরা কফি উৎপাদন করছি এবং এর উৎপাদন বাড়ানোর জন্য কাজ করছি। এ জন্য আমরা কিছুসংখ্যক কৃষকদের ভিয়েতনামে পাঠাবো হাতে কলমে অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য। আমরা চাই কৃষিজাত পন্য রপ্তানি করতে, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে। বুধবার মন্ত্রণালয়ের নিজ কক্ষে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রতিষ্ঠান North End (Pvt) Ltd এর ম্যানেজিং ডাইরেক্টর রিক হার্বাড (Mr.Rick Hubbard) মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে আসলে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী জানান, কৃষিজাত পন্যের ওপর সরকার প্রণোদনা দিয়ে থাকে সেক্ষত্রে কফিকেও এর আওতায় আনা হবে। তিনি North End কে সবধরনের সহযোগিতা দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। এছাড়া ভিয়েতনাম থেকে উন্নত জাতের কফি চারা এনে দেশে চাষ করা হবে।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, ধান নির্ভর কৃষির পাশাপশি অপ্রচলিত লাভবান কৃষির দিকে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। কৃষক ধানের ন্যায্য মূল্য পাচ্ছে না। ফলে কৃষক ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। কফি, কাজুবাদাম, অ্যাবোকাডোসহ বিভিন্ন অধিক মূল্যের ফসল চাষে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে কৃষকদের।

রিক হার্বাড বলেন, আমরা ২০১১ সালে বান্দরবানের রুমা উপজেলায় কৃষকদের মাধ্যমে ৫০০টি কফি গাছের চারা দিয়ে কফি চাষ শুরু করি। বর্তমানে সাজেক ভ্যালিসহ আমাদের মোট গাছের সংখ্যা ১ লাখ ৫০ হাজারটি। বিগত দুই বছর যাবত সম্পূর্ণ বাংলাদেশের কফি বাজারজাত করছি এবং রপ্তানি করছি। বাংলাদেশের কফি বিশ্ব মানের। এটার চাষ পরিবেশের জন্য উপযোগি পানি কম লাগে। পোকামাকড় ও রোগজীবাণুর আক্রমণ নেই। কফি গাছ ৩ বছর বয়স থেকে ফলন দেয় এবং ৯০ বছর পর্যন্ত অব্যাহত থাকে। এছাড়া কফি প্রসেসিং মেশিন এর দাম ছিল মাত্র ৫’শ ডলার বর্তমানে ঋঅঙ এই মেশিন ফ্রি দিচ্ছে।
প্রতিনিধি দলে আরও ছিলেন, মিঃ আরিয়েল মার, চিফ অপারেটিং অফিসার, মোস্তফা হোসেন ফাররাজী, কৌশলগত উপদেষ্টা এবং পার্বত্য ট্র্যাক কফি প্রকল্প সমন্বয়ক।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত