প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

২০ হাজার ফল-ফুলের গাছে সাজছে বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক

মুসবা তিন্নি : শালবনের ঘনত্ব থাকলেও গাজীপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কে ছিল না ফলের গাছ। যার কারণে হয়ে ওঠেনি পশু-পাখিসহ বন্যপ্রাণীর অভয়াশ্রম। বন্যপ্রাণীর অভয়াশ্রম করতে তাই পার্কটিতে ৫৪ প্রজাতির ফুল-ফল ও প্রায় বিলুপ্ত প্রজাতির ২০ হাজার গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে। আর এসব উদ্যোগ নিয়েছেন পার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. তবিবুর রহমান। লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানেও অত্যন্ত সাফল্যের সঙ্গে কাজ করেছেন বন বিভাগের এই সৎ কর্মকর্তা। বাংলা নিউজ২৪

পার্ক কর্তৃপক্ষ ও এলাকাবাসী জানায়, গাজীপুরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্ক তৈরির অনেক আগে থেকেই ওই এলাকায় ছিল প্রচুর সংখ্যক শালবন। অসাধু ব্যক্তিদের কাছ থেকে এ শালবন ও সরকারি জমি রক্ষা করতেই সাফারি পার্কের উদ্যোগ নেয় সরকার। এছাড়া পর্যটকদের বিনোদনকেন্দ্র হিসেবে বিবেচনা করে পার্কটি নির্মাণ করা হয়েছে। পার্ক নির্মাণ হওয়ার পরও সেখানে রয়েছে প্রচুর শালবন। কিন্তু ছিল না ফলের গাছ। বন থাকলেও খাদ্যের অভাবে এ পার্কে নেই পশু-পাখির তেমন আনাগোনা।

সাফারি পার্কের ভেতর বিভিন্ন বেষ্টনীতে রাখা হয়েছে বাঘ, সিংহ, ভাল্লুক, বানর, হরিণ, জেব্রা, জিরাফ, কুমির, গণ্ডার, হাতি, সাপ, পাখি ও ময়ূরসহ বিভিন্ন পশু-পাখি। এদের মধ্যে পাখি ছাড়া প্রায় সব পশু পার্কের বিশাল বিশাল বেষ্টনীতে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। তবে খাদ্যের অভাবে প্রাকৃতিকভাবে পার্কে তেমন বন্যপ্রাণীর অভায়শ্রম হয়ে ওঠেনি। প্রাকৃতিকভাবে যাতে এই পার্কের ভেতর বিভিন্ন পশু-পাখির অভায়শ্রম হয় সেজন্য ৫৪ প্রজাতির ২০ হাজার ফুল-ফলসহ বিভিন্ন গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে গাজীপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. তবিবুর রহমান বলেন, এ পার্কে বিভিন্ন প্রজাতির অসংখ্য পশু-পাখি রয়েছে। এদের খাবার দিতে হয়। প্রাকৃতিকভাবে এসব পশু-পাখি কোনো খাবার সংগ্রহ করতে পারে না। পার্কে বিশাল শালবন থাকলেও এখানে পোকামাকড় ছাড়া পাখির তেমন কোনো খাবার নেই। প্রকৃতিকভাবে যাতে এ পার্কে পশু-পাখিসহ বন্যপ্রাণীর অভয়াশ্রম হয় সেজন্য ফলসহ বিভিন্ন ধরনের ২০ হাজার গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে। সম্পাদনা : রাশিদ

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত