প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

পরিবহন কাঠামোতে আভ্যন্তরীণ ও উপ-আঞ্চলিক পর্যায়ে পিছিয়ে বাংলাদেশ
যোগাযোগের উন্নয়নে ১১ উপ-প্রকল্পের সমীক্ষা করতে ২৫৬ কোটি টাকার প্রকল্প

সাইদ রিপন: দেশে আভ্যন্তরীণ এবং উপ-আঞ্চলিক পর্যায়ে পরিবহন কাঠামো ও যোগাযোগ ব্যবস্থা চাহিদার তুলনায় কম। তাই স্থল বন্দর এবং আন্তঃপরিবহন ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধার উন্নয়নে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি সাব-সেক্টরগুলোর পারস্পারিক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন জরুরি। এ ধরনের প্রকল্প গ্রহণের প্রস্তুতিতেও পিছিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ। সম্প্রতি পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাবিত বাংলাদেশ রেলওয়ে মন্ত্রণালয়ের ডিপিপি থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানায়, টেকনিক্যাল অ্যাসিসটেন্স (টিএ) ফর রেলওয়ে কানেকটিভিটি ইমপ্রæভমেন্ট প্রিপারেটরি ফেসিলিটি (আরসিআইপিএফ) প্রকল্প পরিকল্পনা কমিশনে প্রস্তাব করেছে রেলপথ মন্ত্রণালয়। প্রকল্পটির জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ২৫৬ কোটি ৩০ লাখ টাকা। এর মধ্যে এশিয়া উন্নয়ন ব্যাংক দিবে ১৮০ কোটি ৫০ লাখ টাকা এবং বাকি ৭৫ কোটি ৮০ লাখ টাকা সরকারি তহবিল থেকে খরচ করা হবে। প্রকল্পটি ২০১৯-২০ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে বৈদেশিক সাহায্য প্রাপ্তির সুবিধার্থে অননুমোদিত নতুন প্রকল্প তালিকায় অন্তর্ভুক্ত আছে। প্রকল্পটি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদনের পর ২০১৯ সালের জুলাই থেকে ২০২২ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে তা বাস্তবায়ন করবে বাংলাদেশ রেলওয়ে।

প্রকল্পের বিষয়ে বলা হয়েছে, ১১টি উপ-প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতিমূলক কাজ করা হবে। এর মধ্যে ফিজিবিলিটি স্টাডি, ডিটেইল্ড ডিজাইন, দরপত্র ডকুমেন্ট প্রস্তুতসহ আরও আনুষঙ্গিক কাজ করা হবে। দেশের রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলে হার্ডিঞ্জ ব্রিজের উপর দিয়ে নতুন আরেকটি সেতু নির্মাণের নকশসহ সম্ভব্যতা সমীক্ষা করা হবে। আব্দুলপুর-রাজশাহীতে ব্রডগেজ লাইন নির্মাণ এবং আব্দুলপুর বাইপাস, আব্দুলপুর-সান্তাহার-পার্বতীপুর সেকশনে ডুয়েলগেজ লাইনের সমান্তরালে ব্রডগেজ লাইন নির্মাণের সমীক্ষা করা হবে। এছাড়া রেলের আরো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় ডুয়েলগেজ লাইন নির্মাণের জন্য সম্ভাব্যতা সমীক্ষা করা হবে।

রেলপথ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের জন্য রেলওয়ের জমি সরকারের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়কে দেওয়া হয়েছে। তবে হার্ডিঞ্জ ব্রিজের উপর দিয়ে নতুন রেলসেতু নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় জমি রাখা আছে। বর্তমানে হার্ডিঞ্জ ব্রিজের দৈর্ঘ্য ১ দশমিক ৮ কিলোমিটার। নতুন রেলসেতুর দৈর্ঘ্যও একই হবে। নতুন সেতুর উপরে দুটি ব্রড-গেজ রেললাইন নির্মাণ করা হবে।

এ বিষয়ে পরিকল্পনা কমিশনের যুগ্ম-প্রধান মো. মতিউর রহমান বলেন, এ প্রকল্পটির মাধ্যমে দেশের সবচেয়ে প্রাচীনতম হার্ডিঞ্জ ব্রিজের উপর নতুন আরও একটি রেললাইন নির্মাণসহ দেশের পরিবহন যোগাযোগের কাঠামো উন্নয়নের সমীক্ষা করা হবে। প্রকল্পটির আওতায় উপ-প্রকল্প ১০টিতে গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনগুলোর নতুন কন্ট্রোল সিস্টেম প্রবর্তন এবং অন্যান্য কাজের জন্য কোর, নন-কোর বিজনেস প্ল্যান প্রণয়নের বিষয়ে উল্লেখ রয়েছে। এখানে ঠিক কতটি স্টেশন করা হবে তা সুনির্দিষ্টভাবে জানতে চেয়েছি।

সম্পাদনা: রমাপ্রসাদ বাবু

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ