প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

অনিয়মের অভিযোগে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ৪১ এনজিও প্রত্যাহারের ঘোষণা হলেও বাস্তবায়ন নেই

হ্যাপি আক্তার : কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে এনজিও কার্যক্রম কিভাবে চলছে, তা নিয়ে বিভ্রান্তি দেখা দিয়েছে। কিছু এনজিও’র অনিয়মের ব্যাপারে অনুসন্ধানের কথা জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক ও সদ্য বিদায়ী প্রত্যাবাসন কমিশনার। চ্যানেল টোয়েন্টিফোর ১১:০০
কক্সবাজারে বর্তমানে বসবাস করছে ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা। যাদের আবাসন, খাদ্য, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে কাজ করছে বিভিন্ন এনজিও। কিন্তু সম্প্রতি প্রত্যাবাসন ইস্যু ও ২৫ আগস্টের সমাবেশকে কেন্দ্র করে আলোচনা-সমালোচনা চলছে এনজিও কার্যক্রম নিয়ে। স্থানীয় পর্যবেক্ষকদের মতে সব না হলেও, কিছু এনজিও’র ইন্ধন আছে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন বানচালে। এমন তথ্য আছে পুলিশের কাছেও।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সংগ্রাম পরিষদের সভাপতি মাহমুদুল হক বলেন, বিশেষ কিছু এনজিও আছে, যারা রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে অনীহা সৃষ্টি করছে। যার সঙ্গে মিয়ানমার সরকার জড়িত আছে।

কক্সকাজার পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন বলেন, যেসব এনজিও রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের নিরুৎসাহিত করছে তাদের চিহ্নিত করার কাজ চলছে।

সম্প্রতি একটি এনজিওর ৬টি প্রকল্প বন্ধ করা ছাড়া আর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি প্রশাসন। এর আগে গত বছর ৪১ এনজিওর কার্যক্রম স্থগিত করা হলেও পরে ৭টি ছাড়া বাকি সবগুলোই পুনরায় কাজের অনুমতি পায়। যদিও এখন নতুন অভিযোগ ওঠার পর আবার অনুসন্ধানের কথা বলছে প্রশাসন।

বদলি হওয়া প্রত্যাবাসন কমিশনার মো. আবুল কালাম বলেন, এ সমস্ত বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর নির্ভর করতে হয়। তারা বিষয়টি খতিয়ে দেখবেন।

জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন বলেন, সে সমস্ত এনজিওর বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে, সেসব এনজিওগুলোকে শনাক্ত করার জন্য উপজেলা এবং গোয়েন্দা সংস্থার সমন্বয়ে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

তবে ঢালাওভাবে সবাইকে দোষারোপ না করে, তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার পক্ষে এনজিও ফোরাম।

কক্সবাজার এনজিও ফোরামের কো-চেয়ারম্যান আবু মোর্শেদ চৌধুরী বলেন, রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কোনো এনজিও কাজ করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া উচিত।

কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের ৩৪টি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কাজ করছে ১৪৬টি এনজিও। এরমধ্যে জাতীয় ও স্থানীয় মিলে ৬৬টি, আর ৮০টি আন্তর্জাতিক। সম্পাদনা : রাজু আহ্সান

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত