প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

মোবাইলের মাধ্যমে রোহিঙ্গারা অনেক অপরাধ কর্মে জড়িয়ে পড়ছিলো, বললেন মন্ত্রী মোস্তফা জব্বার

বেলাল হোসেন : হঠাৎ কেন এই সিদ্ধান্ত ? বিআরটিসির ভাষ্য রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার কারনে এই  সিদ্ধান্ত। গোয়েন্দা সংস্থার পরামর্শে তা করা হয়েছে। মন্ত্রী মোস্তফা জব্বার বিবিসিকে বলেন, মোবাইলের মাধ্যমে রোহিঙ্গারা অনেক অপরাধে জড়িয়ে পড়ছিল । রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ও গুরুত্ব বিবেচনা, আইন শৃঙ্খলা রক্ষা ও জন সুরক্ষার স্বার্থে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী যেন কোনরকম মোবাইল সুবিধা না পায়, সেজন্য আগে মোবাইল অপারেটরদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছিল। কিন্তু সম্প্রতি বিটিআরসির ক্যাম্প পরিদর্শন কমিটি, গোয়েন্দা সূত্র ও পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত খবরে রোহিঙ্গাদের হাতে ব্যাপক হারে সিম/রিম ব্যবহারের তথ্য পাওয়া গেছে’। বিবিসি

কীভাবে সিম পায় রোহিঙ্গারা? বাংলাদেশে মোবাইল সিম কিনতে হলে জাতীয় পরিচয়পত্র বা পাসপোর্টের ফটোকপির মতো পরিচয় ও ছবিযুক্ত আইডি কার্ড দরকার হয়। সেই সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের কেন্দ্রীয় তথ্যাগারের সঙ্গে আঙ্গুলের ছাপ মেলার পরেই একজনের নামে সিম বিক্রি করা হয়ে থাকে।

কক্সবাজারের সাংবাদিক তোফায়েল আহমেদ বিবিসিকে বলছেন, ”প্রথম দিকে যখন রোহিঙ্গারা আসে, তখন বিভিন্ন এনজিও তাদের নানারকম খাদ্য ও দরকারি সামগ্রীর পাশাপাশি মোবাইল ও সিম কার্ড দিয়েছে। তখন অনেক কোম্পানির লোকজন ক্যাম্পে সিম বিক্রি করেছে।”

পরবর্তীতে কড়াকড়ি আরোপ করার পরে বাংলাদেশি নানা ব্যক্তির সঙ্গে টাকাপয়সার চুক্তিতে তাদের নামে সিম কেনা হয় বা সিমের মালিকানা দেয়া হয়। কিন্তু সেসব সিম ব্যবহার করেন রোহিঙ্গারা।

বিবিসির কথা হয় সাতবছর ধরে বাংলাদেশে থাকা একজন রোহিঙ্গার সঙ্গে। তিনি তখন বাজার থেকেই সিম কিনেছিলেন।

কিন্তু এনআইডি আর আঙ্গুলের ছাপের কড়াকড়ি আরোপ করার পরে বাংলাদেশি একজনের পরিচয় পত্র দিয়ে সিমটি রেজিস্ট্রেশন করিয়ে নেন। কিন্তু এখনো তিনিই সেটি ব্যবহার করছেন। সম্পাদনা : কায়কোবাদ মিলন

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ