প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

শুল্কারোপের মাধ্যমে বাণিজ্যযুদ্ধের নতুন অধ্যায় শুরু করলো যুক্তরাষ্ট্র-চীন

চলতি বছর শেষ হওয়ার আগেই চীনের আমদানি পণ্যে মোট ৩০ হাজার কোটি ডলারের নতুন শুল্কারোপের ঘোষণা দেন ট্রাম্প। যার প্রথম দফা কার্যকর করা হয়েছে আজ থেকেই। নতুন শুল্কারোপের আওতায় মোট ১১ হাজার ২শ কোটি ডলারের চীনা পণ্য আমদানিতে ১৫ শতাংশ শুল্কাদায় চালু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে বিবিসি জানিয়েছে, প্রথম দফায় ১৫ হাজার কোটি ডলার মূল্যের আমদানি শুল্কের আওতায় পড়তে চলেছে। শুল্কারোপের সময় মার্কিন ব্যবসায়ী মহল এবার বেশ জোর আপত্তি করেছিলো, কিন্তু ট্রাম্প তা সম্পূর্ণ অগ্রাহ্য করেন। খবর : লাইভমিন্ট, বিবিসি, নিউইয়র্ক টাইমস।

দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে চীনের কাছ থেকে আরো ছাড় পেতে শুল্কের মাধ্যমেই চাপ দিচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন। ইতিপূর্বে, যার আওতায় ২৫ হাজার কোটি ডলারের পণ্য আমদানিতে শুল্কারোপ করা হয়। এসময় নমনীয় হওয়ার পরিবর্তে স্বাভাবিকভাবেই ক্ষুদ্ধ চীন ১১ হাজার কোটি ডলারের মার্কিন পণ্য আমদানিতে পাল্টা শুল্কারোপ করে।

মার্কিন শুল্কারোপের প্রেক্ষিতে নিষ্ক্রিয় নয় চীন। গতকাল রোববার দেশটি এই প্রথম মার্কিন জ্বালানি তেল আমদানির ওপর ৫ শতাংশ শুল্কারোপ করেছে। এছাড়াও, ইতোমধ্যেই শুল্কারোপ করা হয়েছে এমন সাড়ে ৭ হাজার কোটি ডলারের মার্কিন পণ্য আমদানির ওপর নতুন করে করারোপের ঘোষণা দিয়েছে দেশটি। যার আওতায়, যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানিকৃত ১ হাজার ৭১৭টি পণ্যের ওপর আরো ৫ থেকে ১০ শতাংশ করারোপ করা হবে।

এদিকে ট্রাম্পের শুল্কারোপ সম্পূর্ণ হলে মোট ৫৫ হাজার কোটি ডলারের চীনা আমদানি এর আওতায় পড়বে। অর্থাৎ, যুক্তরাষ্ট্রে চীনের সকল প্রকার আমদানি পণ্যই শুল্কের আওতায় পড়তে চলেছে। এই অবস্থায় পুঁজিবাজারের অস্থিরতা তীব্র আকার ধারণ করবে। কারণ চীনের ওপর আরোপিত শুল্ক এবং বাণিজ্যযুদ্ধকে আসলে বৈশ্বিক প্রভাব বিস্তারে ক্ষমতার লড়াই হিসেবেই দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। বাণিজ্য শুল্কের প্রভাবে এর মাঝে চীনা অর্থনীতির গতি অনেকটাই কমে এসেছে। সম্পাদনা : রেজাউল আহসান

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ