প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ভারতের অস্ত্র কেনার সিদ্ধান্ত জনগণ মেনে নেবে না, বললেন ডা. এম এ সামাদ

রফিক আহমেদ : বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (মার্কসবাদী) সাধারণ সম্পাদক ও গণতান্ত্রিক বাম ঐক্যের সমন্বয়ক ডা. এম এ সামাদ বলেছেন, ঋণের টাকায় ভারত থেকে অস্ত্র কেনার মতো আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের জনগণ মেনে নেবে না। প্রয়োজনে জনগণ রাজপথে ফ্যাঁসিবাদী সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই করবে।

শুক্রবার বিবৃতিতে বাম ঐক্যের সমন্বয়ক বলেন, ভারতের ঋণের টাকায় ওই দেশ থেকেই সামরিক অস্ত্র কিনতে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশকে যে অনুরোধ জানিয়েছেন, তাতে মনে হচ্ছে, কৌশলে কোনো টাকা না দিয়েই সব পেতে চায় তাদের ব্যবহৃত কিছু পুরনো অস্ত্র দিয়েই। এই অনৈতিক আবদার দেশের জনগণ মেনে নেবে না।
সামরিক সরঞ্জাম কিনতে ২০১৭ সালে ভারতের সঙ্গে ৫০ কোটি ডলারের ঋণ চুক্তি করে বাংলাদেশ৷ কিন্তু ওই অর্থ দিয়ে এখনো কোনো সামরিক সরঞ্জাম কেনা হয়নি৷ ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর গত মঙ্গলবার ঢাকায় এক বৈঠকে ঋণের ওই টাকায় ভারত থেকে সামরিক সরঞ্জাম কিনতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল মোমেনকে অনুরোধ জানান৷

ডা. এম এ সামাদ বলেন, ‘২০১৭ সালে যখন এই চুক্তি স্বাক্ষর হয় তখনও বিরোধিতা করা হয়েছিল। এখন গত বৃহস্পতিবার এক সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন বলছেন, ঋণের টাকায় ভারত থেকে সামরিক সরঞ্জাম কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ৷ তবে ভারত থেকে কি ধরনের অস্ত্র কেনা হবে সেই সিদ্ধান্ত নেবে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ- তা বলেননি মন্ত্রী৷ বাংলাদেশের ওপর ভারত প্রভাব বিস্তার করবে এবং যা আমাদের স্বার্থের জন্য ক্ষতিকর হবে সেটি দেশের জনগণ কখনোই চায় না, এবং হতে দেবে না ৷ ঋণ দেয়ার সময় ভারতের কতোগুলো শর্ত দেখেছি, তখনও আমরা বিরোধিতা করেছি৷ আমি মনে করি, ওই অর্থ দিয়ে এখন অস্ত্র কেনার কোনো প্রয়োজন নেই৷’

তিনি আরো বলেন, ‘ফারাক্কার বাঁধের কারণে বাংলাদেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চল মরুভূমিতে পরিণত হয়েছে। তিস্তার পানির নায্য হিস্যা থেকেও আমরা বঞ্চিত। সীমান্তে নীরীহ দেশের নাগরিকদের ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী নির্বিচারে গুলি করে হত্যা করছে। বাংলাদেশের জনগণ চায় ভারত-বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় যেসব সংকট রয়েছে- (তিস্তার পানি চুক্তি, সীমান্ত হত্যাকাণ্ড ও অসম বাণিজ্য) সেসবের সমাধান হোক।’সম্পাদনা: অশোকেশ রায়

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত