প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

বাংলাদেশে মানবপাচার বেড়েছে আর কমেছে বিচার

শেখ নাঈমা জাবীন : বাংলাদেশে মানব পাচারের সংখ্যা বেড়েছে আর কমেছে বিচারের সংখ্যা। তাই যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাফিকিং ইন পার্সন্স রিপোর্টে বাংলাদেশের অবস্থান এখনও ২য় সারিতে। যুক্তরাষ্ট্রের মানবপাচার বিষয়ক দূত জন কটন রিচমন্ড এ কথা বলেন। একাত্তর টিভি, ১৯:০০

তিনি বলেন, পাচার বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা না নিলে আগামী বছর বাংলাদেশের অবস্থান নামবে ৩য় সারিতে।

রাজধানী ঢাকার যাত্রাবাড়ির এক নারীর ৩ মাসের বিদেশ যাত্রার পুরোটাই ছিলো মিথ্যা আর প্রতারণার এক মর্মান্তিক উপাখ্যান। শুরুতে দালাল বলেছিলন, কাজ হবে হাসপাতালে। কিন্তু যখন তিনি ওমান পৌঁছালেন তখন প্রতি রাতেই তাকে বিক্রি হতে হয়েছে। দিনের পর দিন শারীরিক নির্যাতনের শিকার এই নারী এখন প্রায় পঙ্গু।
তার মতো অনেক নারী প্রতারণার শিকার হয়ে পাড়ি জমান মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে। সঠিক তথ্য প্রমাণ না থাকায় তারা কোনো বিচার পান না। প্রাণ নিয়ে বিদেশ থেকে দেশে ফিরে আসাটাই তাদের জন্য বড় প্রাপ্তি।

যুক্তরাষ্ট্রের মানবপাচার বিষয়ক দূত বলেছেন, সব ধরনের মানবপাচারই বাংলাদেশে এখনও অব্যাহত আছে। এর জন্য তিনি দায়ী করেছেন নজরদারির অভাবকে। ‘বাংলাদেশের ভেতরে বাইরে মানবপাচার বাড়ছে। গত ৩ বছর ধরে আমরা যে তথ্য পাচ্ছি, সে আলোকেই এটি বলছি। উল্টোদিকে আমরা দেখছি, তদন্তের সংখ্যা কমেছে। তার মানে এই নয় যে, পাচার কমেছে।’

তিনি বলেছেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে নারী-শিশু, এমনকি পুরুষরাও পাচারের শিকার হচ্ছেন। রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে পাচারের প্রতিটি ঘটনা খুঁজে বের করা উচিৎ। সেই সঙ্গে দোষীদের বিচার করা উচিৎ। আন্তর্জতিক শ্রম সংস্থার হিসাবে প্রতি বছর বিশ^জুড়ে অন্তত আড়াই কোটি মানুষ পাচারের শিকার হন। সম্পাদনা : আশোকেশ রায়

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত