প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

“চামড়া সিন্ডিকেট” একাত্তরের দখলদার বাহিনীর মতোই, বললেন পঙ্কজ ভট্টাচার্য

রফিক আহমেদ : ঐক্য ন্যাপের সভাপতি পঙ্কজ ভট্টাচার্য বলেছেন, চামড়া সিন্ডিকেট একাত্তরের দখলদার বাহিনীর মতোই। যে দেশে বাজেট তৈরি হয় ‘দুনম্বরী ব্যবসায়ী’, ঋণ খেলাপী, কালোটাকার মালিক ও অর্থপাচাকারীদের স্বার্থে- সে দেশে কী করে কাঁচা চামড়ার ন্যায্য মূল্য পাবে ছোট ছোট চামড়া ব্যবসায়ীরা? চামড়া যথা সময়ে সরকারি দরে না কেনার ফলে সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণে চামড়া ব্যবসাটাকে ঠেলে দেয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার এই প্রতিবেদককে একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

পঙ্কজ ভট্টাচার্য বলেন, কোন ক্ষেত্রে সিন্ডিকেট নেই? ব্যাংকিং-এ সিন্ডিকেট, ধান, চাল, সবজী কেনায় সিন্ডিকেট ও প্রতি ঈদে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধিতে সিন্ডিকেট সক্রিয় আছে। কালোটাকা, ঋণ খেলাপী ও অর্থ পাচারের মূলেও আছে সিন্ডিকেট- দূর্ভাগ্যজনক রাষ্ট্রযন্ত্র অনেকাংশে সিন্ডিকেটের দখলে। সর্বস্তরে সিন্ডিকেট ভাঙতে হবে। এরা একাত্তরের ৯ মাস হানাদার বাহিনীর মতোই দখলদার বাহিনী।

তিনি বলেন, সকল ক্ষেত্রে সিন্ডিকেট ভেঙ্গে সরাসরি কৃষক, চামড়া ব্যবসায়ী ও উৎপাদকদের যুক্ত করে রাষ্ট্রীয় ব্যবসায়ী নীতি ঘোষণা ও কার্যকর করতে হবে। কিন্তু শ্বেতহস্তীর মতো মন্ত্রী রাখার কী প্রয়োজন? আন্তর্জাতিক বাজারে চামড়ার দাম চড়া অথচ দেশে চামড়া পঁচে যাবে, চোরাচালান হবে, মন্ত্রী মন্ত্রনালয়ে কোন নীতি-কর্মপন্থা আছে বলে মানুষ মনে করে না।

তিনি আরও বলেন, ডেঙ্গুর মোকাবেলায় যে ঔষুধ আমদানী হয়েছিলো তা গত ফেব্রুয়ারীতে ভেজাল ও অকার্যকর প্রমাণ পাওয়া গেলেও আমদানীকারক ও সরবরাহকরীদের কোন শাস্তি হয়নি কেন? শতাধিক ডেঙ্গুর মৃত্যুর জন্য এরা কী দায়ী নয়? মেয়ররা জেনে শুনে মানুষকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেয়ার দায়িত্ব এড়াতে পারেন কী? মন্ত্রীসহ যারা ডেঙ্গু নিয়ে মশকরা করেছেন- তাদের জনগণের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। সম্পাদনা: সুতীর্থ

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত