প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

রাজনীতিতে যতো পাপ, গন্ধ, ঝামেলা, দুর্নীতি থাক সবাই জানেন মানেন শেখ হাসিনা আছেন বলেই দেশ আজ এই জায়গায় পৌঁছেছেও

অজয় দাশগুপ্ত : পিতাকে বাসভবনে পরিবার-পরিজন নিয়ে হত্যা করা হয়েছিলো পনেরো তারিখে। যারা মেরেছিলো তাদের ছানাপোনারা বড় হয়ে বেছে নিয়েছিলো সেই আগস্টেরই একুশ তারিখ। তারা এতোটা বেপরোয়া আর ক্ষমতার দাপটে এতটাই অন্ধ ছিলো যে রাজধানীর রাজপথে গ্রেনেড হামলায় মারতে চেয়েছিলো তাকে। অপরাধ, তার পিতা এই দেশ মুক্ত করার জন্য স্বাধীন করার জন্য জীবন দিয়ে গেছেন। অপরাধ তিনি এখনো বেঁচে আছেন। শুধু তাই নয় মানুষকে অসাম্প্রদায়িক মুক্তিযুদ্ধের দেশ করার স্বপ্ন দেখান। গদীতে মা, রাজপথে বেপরোয়া ছেলে। সঙ্গে চুলে জেল লাগানো ঘড়ি চোরাচালানকারী স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী স¤্রাট বাবর। বাবর যেমন পানিপথের যুদ্ধে প্রথম কামান ব্যবহার করেছিলেন এরা রাজপথে প্রথম নিয়ে এসেছিলো তাজা গ্রেনেড। তারপরও কাজ হয়নি। এতো আর কোনো জোড়াতালি দেয়া সাত ঘাটের পানি খাওয়া নেতাদের মিলিত হবার দল ছিলো না তখন। শরীরের সাদা শার্ট রক্তে লাল হয়ে টপটপ করে মাটিতে গড়ালো। কারও পা উড়ে গেলো। কারও চোখ গেলো। তবু মানবঢালে তিনি রইলেন সুরক্ষিত।

এটাই প্রকৃতি। এ না হলে এদেশে কোনোকালে রাজাকার যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হতো? শাস্তি হতো? ইতিহাস ও মুক্তিযুদ্ধকে কাঁচকলা দেখানো গোলাপী বেগম থাকতেন চার দেয়ালের ভেতর? অনেক দোষ তার। তিনি বেশি বলেন। মুখের উপর সত্য বলেন। কাউকে একবার ধরলে ছাড়েন না। গান শোনেন। বই পড়েন। সবচেয়ে বড় কথা দেশকে এমন জায়গায় নিয়ে এসেছেন যেখানে তাকে মারার লোকজন ও থাকেন বিত্ত বৈভবে। শকুনের অভিশাপে গরু মরে না রে পাগলা। রাজনীতিতে যতো পাপ, গন্ধ, ঝামেলা, দুর্নীতি থাক সবাই জানে সবাই মানে শেখ হাসিনা আছেন বলেই দেশ আজ এই জায়গায় এসেছে। ঘৃণা করি একুশে অগাস্ট। ভালোবাসি শেখ হাসিনাকে। ফেসবুক থেকে

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত