প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

“পথভ্রষ্ট হয়েছে কংগ্রেস” : কাশ্মীর নিয়ে বিজেপিকে সমর্থন করে মন্তব্য হুডার

রাশিদ রিয়াজ : ভারতের হরিয়ানার কংগ্রেস নেতা ভুপিন্দর সিং হুডা জম্মু ও কাশ্মীর নিয়ে বিজেপি সরকারের উদ্যোগকে সায় জানিয়ে বলেন, “৩৭০ প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং আমার অনেক সতীর্থ বিরোধিতা করছেন। আমার দল কিছুটা পথভ্রষ্ট হয়েছে। এটা আর আগের কংগ্রেস নেই”। বিএস হুডা বলেন, “যখনই দেশপ্রেম এবং আত্মসম্মানের প্রশ্ন উঠেছে, আমি কখনই আপোস করিনি।”বিধানসভা নির্বাচনের আগে দলের লাইনের তাঁর কথা বলা স্বাভাবিকভাবেই দলের অন্দর, বাইরে ভ্রু কুঁচকেছে রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের। হরিয়ানার রোহতাকে একটি সভায় তিনি এধরনের মন্তব্য করেন। যদিও দল ছাড়ছেন না বলে জানিয়ে দিয়েছে হুডা, পাশাপাশি জনিয়েছেন, ১৩জন বিধায়ককে নিয়ে একটি কমিটি তৈরি করবেন তিনি, যাঁরা তাঁর ভবিষ্যতের পদক্ষেপ ঠিক করবেন।

সভায় উপস্থিত ছিলেন তাঁর ছেলে দীপন্দর সিং হুডা, একই সুরে কথা বলেন তিনিও। যদিও তিনি ইঙ্গিত দেন, সরকার যে “পদ্ধতি” অবলম্বন করেছে তা নিয়ে তাঁর আপত্তি ছিল।

ভুপিন্দর সিং হুডার হঠাৎ করেই দলের লাইনের বাইরে এভাবে কথা বলার পরেই তাঁর দলবদল নিয়ে জল্পনা ছড়িয়েছে। কয়েক সপ্তাহ ধরেই, তাঁদের সর্মথকরা, অশোক তানোয়ারের জায়গায় ভুপিন্দর সিং হুডাকে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি করার দাবি জানাচ্ছেন। গত কয়েক সপ্তাহে, জল্পনা ছিল, যে কোনও মহুর্তে দল ছাড়তে পারেন ভুপিন্দর সিং হুডা এবং তাঁর ছেলে। দলের অভ্যন্তরীণ সূত্রের খবর, সোনিয়া গান্ধি অন্তবর্তীকালীন সভাপতি হওয়ার পর পরিস্থিতি শান্ত হয়।

পাঁচ বছর হরিয়ানায় ক্ষমতার বাইরে কংগ্রেস, ভুপিন্দর সিং হুডার বিরুদ্ধে দূর্নীতি এবং দলবাজির অভিযোগ তুলে সেরাজ্যে পদ্ম ফুটিয়েছেন বিজেপি নেতারা। তবে যেখানে মাত্র দুমাস পরেই নির্বাচন, সেখানে জাতীয় স্তরে নেতৃত্বের অভাবে সেভাবে এখনও মাঠে নামেনি তারা। রাহুল গান্ধি কংগ্রেস সভাপতি ছাড়া দুমাস পর…গত সপ্তাহে কংগ্রেসের অন্তর্বর্তীকালীন সভানেত্রী হন সোনিয়া গান্ধি।

গত কয়েক সপ্তাহে, দলের শীর্ষ পদে কাউকে না বসাতে পারায়, দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছিল। জম্মু ও কাশ্মীরসহ সরকারের বিভিন্ন ইস্যুতে দলের পদক্ষেপ কী তা নিয়েও কোনও নীল কৌশল তৈরি হয়নি, জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধ্রিয়াসহ অনেক নেতাই প্রকাশ্যে এ বিষয়ে সরকারের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন।

জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধ্রিয়া ছাড়াও, ভুপিন্দর সিং হুডা আরেক নেতা, যিনি জম্মু ও কাশ্মীর থেকে বিশেষ রাজ্যের মর্যাদা প্রত্যাহার নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের পদক্ষেপের পর, বিরোধীদের বৈঠকে সরব হন। তাঁর মত ছিল, এ বিষয়ে বিরোধিতা করা এটাই প্রমাণ করে, যে দল জাতীয়তাবাদে আগ্রহী নয়। তবে চারঘন্টার বৈঠকের পর, তাঁরা সহমত হন যে, যেভাবে সিদ্ধান্তটি কার্যকর করা হয়েছে, তা সঠিক নয়।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত