প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জিয়া ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিলো, বললেন তথ্যমন্ত্রী

সমীরণ রায় : আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এবং তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বঙ্গবন্ধু হত্যায় জিয়াউর রহমানসহ নেপথ্য কুশীলবদের বিচারের জন্য একটি কমিশন গঠন এখন সময়ের দাবি। বিচার এখনও শেষ হয়নি। কারণ পলাতক খুনি ও বঙ্গবন্ধু হত্যার নেপথ্যের কুশীলবদের বিচার এখনো হয়নি। এজন্য একটি কমিশন গঠন করে বিচার শেষ হলেই ন্যায়প্রতিষ্ঠার উদাহরণ হয়ে থাকবে।

রোববার রাজধানীর কাকরাইলে তথ্যভবনে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে তথ্য মন্ত্রণালয়ের চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, গণযোগাযোগ অধিদপ্তর এবং চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ড আয়োজিত সভায় তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যার পরই ষড়যন্ত্রকারীরা ইতিহাস বিকৃতির পায়তারা শুরু করে। বিএনপির নেতা সাদেক হোসেন খোকা নাকি চট্টগ্রাম বেতারে দেয়া জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা শুনে ঢাকা থেকে যুদ্ধে গিয়েছিলেন। যা সর্বৈব মিথ্যা। কারণ চট্টগ্রাম বেতারের তখনকার সম্প্রচার ছিল ১০ কিলোওয়াট, যা কার্যত ছিল ৬ কিলোওয়াট। এখন তা ১০০ কিলোওয়াট হলেও চট্টগ্রামের বাইরে বেশি দূর শোনা যায় না।

হাছান মাহমুদ বলেন, বঙ্গবন্ধুর দেয়া স্বাধীনতার ঘোষণা প্রথম চট্টগ্রাম বেতার কেন্দ্র থেকে পাঠ করেন স্থানীয় আওয়ামী লীগের সভাপতি এম এ হান্নান। তারপর একজন সেনা অফিসার জিয়াকে দিয়ে ঘোষণা পাঠ করানো হয়। প্রথমবার জিয়াউর রহমান ভুল পড়েন। পরে তা শুধরে আবার পাঠ করেন। তিনি সেটা চার দেয়ালের মধ্যে পাহারায় থেকে পাঠ করেছিলেন। আর চট্টগ্রাম আওয়ামী লীগ অফিসের কর্মচারি নূরুল হক জীবন বাজি রেখে ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা সারা শহরে রিকশায় মাইকিং করেন। স্কুলের পিয়ন ঘণ্টা বাজালে ছুটি হয়, তার মানে এই নয় যে ছুটি দেওয়ার মালিক তিনি। তেমনি স্বাধীনতার ঘোষণাদানকারীর আর ঘোষণার পাঠকের পার্থক্যও না বোঝার কোনো কারণ নেই।

চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ ইসতাক হোসেনের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. মুরাদ হাসান, তথ্যসচিব আবদুল মালেক, গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ জাকির হোসেন, চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান মো. নিজামুল কবীর, বাংলাদেশ বেতারের মহাপরিচালক নারায়ণ চন্দ্র শীল প্রমুখ।

সম্পাদনা : মিঠুন

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত