প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

হায়রে শিক্ষক!

রাশেদা রওনক খান : ছোটবেলা হতে শিক্ষকতার সঙ্গে সম্মান ও মর্যাদার যে একটা সম্পর্ক দেখে বড় হয়েছি সেটা বোধহয় দিনকে দিন কমে যাচ্ছে! আমার নানা-নানু শিক্ষক থাকায় ছোটবেলা হতেই তাদের প্রতি সমাজের আশপাশের মানুষজনদের শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও ভক্তি দেখেই বড় হয়েছি। ছোটবেলা হতে এটাও শিখেছি, শিক্ষক তা যিনিই হোক, কি প্রাইমারি স্কুল বা বিশ্ববিদ্যালয়ের, শিক্ষক শুনলেই মনের ভেতরে শ্রদ্ধা চলে আসে সকলের এমনকি এলাকার মাস্তান, বখাটেরাও শিক্ষক দেখলে সালাম দিয়ে দাঁড়িয়ে যায়। জানি অনেকেই বলবেন, সেই শিক্ষক সমাজ এখন কোথায় পাবেন? সেই শিক্ষকও নেই, সেই সমাজও নেই। মেনে নিলাম…।

তাই বলে শিক্ষক অত্যাচারিত হবে তার সহধর্মিণীর প্রতি অশালীন আচরণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায়? রাস্তায় শিক্ষকের সহধর্মিণী যৌন লাঞ্ছনার শিকার হবেন? একজন শিক্ষক ও শিক্ষকের সহধর্মিণীকে কিছু বখাটে উত্ত্যক্ত করলো, নির্যাতন করলো, রাস্তায় আশপাশে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষজন দর্শকের ভূমিকায় ছিলেন, আবার খবরটি প্রকাশের পরও ফেসবুকেও আমরা চুপ, গণমাধ্যমও যেন নীরব অনেকটাই কয়েকটি ব্যতিক্রম ছাড়া। পুরো সমাজ চুপ যেন এটা খুব স্বাভাবিক ঘটনা! অথচ এই ঘটনা যদি একটু ভাইরাল হতো, তাহলে সবাই ‘তেলের মাথায় তেল ঢালা’র মতো লিখে ফাটিয়ে দিতো ফেসবুকে। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেক্ট্রিক্যাল এন্ড ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের শিক্ষক রাশিদুল ইসলাম দম্পতি বখাটে দ্বারা লাঞ্ছিত হয়েছেন, এটাই সমাজের স্বাভাবিক চিত্র! এ কোন সমাজের বাসিন্দা আমরা এখন? ফেসবুক থেকে

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত