প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ইসলাম, হিন্দুত্ববাদী, হোয়াইট ন্যাশনালিজম, কমিউনিজমে বিশ্বাসী মানুষ এবং তাদের নেতারা একমাত্র কাজ যেন পৃথিবীকে পেছনের দিকে ঠেলা!

বিপ্লব পাল : আমাদের জীবন, প্রাণে বেঁচে থাকা এক অর্থে কার্বন কেমিস্ট্রির দান। প্রকৃতি কার্বন পরমাণুর ইলেকট্রন বিন্যাসের পূর্ণ ফয়দা তুলে তৈরি করেছে এই জৈব জগৎ। শুধু প্রকৃতিই খেলা করবে কার্বন পরমাণু নিয়ে? না। মানুষও গত শতাব্দী থেকে চেষ্টা করছে কার্বন পরমাণু থেকে নানা ধরনের কার্বন অণু তৈরি করতে। গ্রাফীনের কথা আগের দিন লিখেছিলাম। যা ছিলো দ্বিমাত্রিক কার্বনের একটি রূপ। যার হাজার হাজার ব্যবহার আগামী বিশ বছরে বিপ্লব আনবে প্রায় প্রতিটি ইঞ্জিনিয়ারিং ক্ষেত্রে। এছাড়াও তৈরি হচ্ছে কার্বন ফাইবার, কার্বন ন্যানোডট, কার্বন ন্যানোটিউব-কার্বন পরমাণুর নানা ধরনের ছোট ছোট চেইন। যা চিকিৎসা থেকে স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ারং-সব ক্ষেত্রেই পরিবর্তন আনছে। ন্যানোটিউবের মধ্যে বায়োমলিকিউল ঢুকিয়ে একদম মানব কোষের মধ্যে ঢুকে ডিএনের স্ট্রাকচারাল চেঞ্জ জানা যাচ্ছে। ১৫ আগস্ট। ভারতের স্বাধীনতা দিবস। ওই একই দিনে দেখলাম আইবিএমের জুরিখ ল্যাব জানিয়েছে, তারা তৈরি করতে সমর্থ হয়েছে সাইক্লোকার্বন… ১৮টি কার্বন এটমের রিং।

যা প্রথম সিঙ্গল মলিকিউল ট্রান্সিস্টর তৈরির ক্ষমতা রাখে। মুশকিল হচ্ছে আবার ওই দিনই ইমরান খান নিয়াজি আজাদ-কাশ্মীরে জানিয়েছেন ভারত টুকরো টুকরো হচ্ছেই। আবার ওই একই দিনে ৪৪ বছর আগে বাংলাদেশের জাতির পিতাকে তার ফ্যামিলিসহ খুন করা হয়েছিলো। শুধু তাই না, তার পরের দিন রেডিওতে বুক ফুলিয়ে ঘাতকরা ঘোষণা করেছিলো শেখ মুজিবর রহমানের অত্যাচারী শাসন শেষ হয়েছে… তাকে খুন করা হয়েছে। (ইউটিউবেই সেই রেডিও পাবেন, ১৬ আগস্ট, ১৯৭৫)। ১৯৪৬, এই ১৬ আগস্টেই শুরু হয় কলকাতায় ডিরেক্ট একশন ডে। ১৫০০০ মানুষ মারা যায় তিন দিনে। মানে খুন করা হয়। আমাদের দাদু দিদারা তাই স্বাধীনতার কথা বলতেন না। ১৫ আগস্ট মানে তাদের কাছে ছিলো, পার্টিশন। পৃথিবীর ইতিহাসের সব থেকে দুর্ভাগ্যজনক বৃহত্তম মাস মাইগ্রেশন। খুন এবং ধর্ষণ। ১৫ আগস্ট আইবিএমের বিজ্ঞানীরা সাইক্লোকার্বন তৈরি করে আরও উন্নততর পৃথিবীর সন্ধান দিলেন। কিন্তু রাজনীতিবিদরা আরও আরও অন্ধকার, হত্যা, অত্যাচার, যুদ্ধ ছাড়া আর কিছু দিতে পারছেন না। আর তাদেরই দোষ দিয়ে কি হবে… তারা যাদের নেতা… সেই জনগণ নিজেদের হিন্দু মুসলমান পরিচয়ে তুরীয় আনন্দ লাভ করে। নেতারা বুদ্ধিমান অভিনেতা… জনসাধারণ আফিং চাইলে, আফিং খাইয়েই গদির দখল নেবেন।

ফলে আমরা দুটো পৃথিবীতে ভেঙে গেছি। এক পৃথিবীর নেতা ইলন মাস্ক, বিলগেটসসহ বিজ্ঞানী, প্রযুক্তিবিদরা। যারা নিত্য নতুন আবিষ্কার, নিত্য নতুন ব্যবসার ছন্দে পৃথিবীটাকে বদলাতে চাইছেন। তাদের ধর্ম ফিউচারিজম। ভবিষ্যতের দিকে চোখ। এরা পৃথিবীকে এগোতে চান। অন্যদিকে এই ইসলাম, হিন্দুত্ববাদী, হোয়াইট ন্যাশনালিজম, কমিউনিজমে বিশ্বাসী লোকজন এবং তাদের বিশ্বনেতারা। যাদের একমাত্র কাজ পৃথিবীকে পেছনের দিকে ঠেলা যাতে যুদ্ধ, খুন, জাতি দাঙ্গা, বর্ণবাদ আরও বৃদ্ধি পায়। যাকে ট্রাইবালিজম বলে। একইসঙ্গে এই দুই পৃথিবীর বাসিন্দা আমরা। আপনাকেই ঠিক করতে হবে… বিজ্ঞানের প্রগতি, না রাজনীতি… আপনি কোনদিকে? ফেসবুক থেকে

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত