প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

মার্কিন কৃষি বিভাগের প্রতিবেদন
চলতি মার্কেটিং ইয়ারে বিশ্বে সয়াবিনের চাহিদা ১ শতাংশ বেড়ে ১৫ কোটি টনে উন্নীত হবে

নূর মাজিদ : ২০১৯-২০ বাজার বৎসরে (অক্টোবর-সেপ্টেম্বর) বৈশ্বিক সয়াবিন শস্যের চাহিদা বছরওয়ারি হিসেবে ১ শতাংশ বাড়বে। নেপথ্যে মূল ভূমিকা রাখছে চীনের চাহিদা বৃদ্ধি। ফলে আলোচিত মেয়াদে ১৪ কোটি ৮৮ লাখ ৬০ হাজার টন সয়াবিনের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য হবে। যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়। খবর : কমোডিটি অনলাইন।

প্রতিবেদনে প্রকাশ, ২০১৯-২০ সালের মাঝে বিশ্বের শীর্ষ সয়াবিন আমদানিকারক চীন, ফসলটি সাড়ে ৮ কোটি টন আমদানি করবে। আগের বছরের তুলনায় যা ২ দশমিক ৪ শতাংশ বেশি। আফ্রিকান সোয়াইন ফিভার সত্ত্বেও মাংস উৎপাদনে দেশটির শুকর খামারগুলোর সয়াবিন চাহিদা বাড়ার কারণেই আমদানি বাড়ছে। চীনের পরেই মেক্সিকো, জাপান, থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া, তাইওয়ান এবং তুরস্কের বাজারে উচ্চ চাহিদা থাকবে।

ইউএসডিএ প্রতিবেদন সূত্র আরো জানায়, সয়াবিন রপ্তানিতে শীর্ষস্থান দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ব্রাজিল ধরে রাখবে। ২০১৯-২০ মেয়াদে দেশটি ৭ কোটি ৬৫ লাখ টন সয়াবিন রপ্তানি করতে চলেছে। গত জুলাই মাসের অনুমানের চাইতেও যা দশমিক ৬ শতাংশ বেশি। এই সময় দেশটি মোট ১২ কোটি ৩০ লাখ টন সয়াশস্য উৎপাদন করবে। আগের বছরের তুলনায় যা ৫ শতাংশ বেশি। এর মাঝে স্থানীয় বাজারে চাহিদা মেটাবে ৪ কোটি ৬৬ লাখ টন। পূর্ববর্তী বছরের তুলনায় এটা দেড় শতাংশ বেশি।

এদিকে সয়াশস্য প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে উৎপাদিত সয়ামিল(পশুখাদ্য) রপ্তানিতে দ্বিতীয় স্থানে থাকবে ব্রাজিল। ২০১৯-২০ বাজার বছরে ১ কোটি ৫২ লাখ টন সয়ামিল রপ্তানি করবে দেশটি। এটা আগের বছরের তুলনায় ৫ দশমিক ৬ শতাংশ কম।

একই মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্র ১০ কোটি টন সয়াবিন উৎপাদন করবে। বাণিজ্যযুদ্ধের কারণে চীনের আমদানি কমায় দেশটির সয়াবিন চাষ আগের বছরের তুলনায় ১৯ শতাংশ কমেছে। নেপথ্যে অবশ্য রয়েছে প্রতিকূল আবহাওয়াও প্রভাব রাখে। সম্পাদনা : ইমরুল শাহেদ

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত