প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ব্রিটেনে বিদ্যুৎ বিপর্যয়, রেল অচল, ঘরেবাইরে ১০ লাখ মানুষ বিপদে

সালেহ্ বিপ্লব : বিশাল এলাকা জুড়ে বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটার বড়ো ধাক্কা লেগেছে ট্রেনে। এখনো ইস্ট কোস্ট মেইন লাইন সচল করা যায়নি। অনেক জায়গায় ট্রাফিক সিগন্যালে বাতি জ্বলছে না, সড়ক যোগাযোগে সৃষ্টি হয়েছে নজীরবিহীন বিশৃঙ্খলা। বিদ্যুৎ বিভাগ বলেছে, জাতীয় গ্রিডে সমস্যা দেখা দেয়ায় এই অপ্রত্যাশিত দুর্যেোগ, জেনারেটরে সৃষ্ট সমস্যা মিটিয়ে ফেলার পরও অন্ধকারে ডুবে আছেন ১০ লাখ মানুষ।  বিবিসি

লন্ডনের বিশাল এলাকা, দক্ষিণ-পূর্ব ইংল্যান্ড, মধ্য ইংল্যান্ড, দক্ষিণ-পশ্চিম ইংল্যান্ড, ওয়েলস এবং উত্তর-পূর্ব ইংল্যান্ড ডুবে আছে অন্ধকারে। ব্ল্যাক আউটের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থায়। বিমান ও ট্রেনের সিডিউল ভেঙ্গে পড়েছে। যাত্রীদের জানানো হয়েছে, যাত্রা বিলম্বিত হবে। হাজার হাজার মানুষ ছিলো রেলস্টেশনগুলোতে, কিন্তু রেলগাড়ি নেই। যে যেখানে ছিলো, সেখানেই লাইনে দাঁড়িয়ে পড়েছে। একের পর এক ট্রেনের যাত্রা বাতিল করা হয়, যখন মাত্রাছাড়া বিলম্বের কবলে পড়ে যায় প্রচুর ট্রেন।

পরিবহন বিভাগ জানিয়েছে, মানুষের চলাচল নিরাপদ করার জন্য তারা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। রেল ও সড়ক যোগাযোগ পুনস্থাপনের কাজ চলছে পুরোদমে।

শুক্রবার দুপুরের কর্মব্যস্ততা আচমকা স্তব্ধ হয়ে যায় বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে। রেলস্টেশনগুলোতে মানুষের ভিড় শ’ ছাড়িয়ে হাজারে পৌছে যায়। বিদ্যুৎ যাওয়ার পর পর সড়কে যখন সিগন্যাল বাতি জ্বলছিলো না, পরিস্থিতির আকস্মিকতায় কিছুক্ষণ কিছুই বুঝে ওঠতে পারেনি মানুষ। ওই সময়ে চলতে থাকা গাড়িগুলো থামার আগেই প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারতো। এমন পরিস্থিতিকে দুর্যেোগ হিসেবেে উল্লেখ করে  ২৬ বছরের হ্যারিয়েট জ্যাকসন বলেন, এটাই বোধ হয় দেখা বাকি ছিলো।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিমানবন্দরেও ভয়ধরানো পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছিলো। কার্ডিফের স্কট ম্যাকেঞ্জি বলেন, আমরা আক্ষরিক অর্থেই অন্ধকারে ডুবে গিয়েছিলাম। বিভিন্ন অ্যালার্মের শব্দ ভেসে আসছিলো। চলার জন্য সবাই মোবাইল ফোনের আলো জ্বালতে বাধ্য হয়েছে।

বৈদ্যুতিক গোলযোগ কেটে যাওয়ার পর লন্ডনের সাথে স্টিভেনেজ ও পিটারবার্গেরে রেল যোগাযোগ ঠিক হয়েছে, কিন্তু মেইন লাইন সচল না হওয়া অবধি পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা সম্ভব হবে না।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত