প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

চাঁদের বুকে পা রাখা প্রথম মানবও রক্ষা পাননি ভুল চিকিৎসা থেকে

নূর মাজিদ : ২০১২ সালে হৃদযন্ত্রে অস্ত্রপচার পরবর্তী সমস্যার কারণেই মৃত্যু হয় বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় নভোচারী নীল আর্মস্ট্রংয়ের। চাঁদের বুকে পা রাখা প্রথম মানুষ ছিলেন তিনি। যে হাসপাতালের চিকিৎসার কারণে তার মৃত্যু হয়েছিলো, ওহিয়ো রাজ্যের সেই হাসপাতালটি ২০১৪ সালেই প্রয়াত নভোচারীর পরিবারকে ৬০ লাখ ডলার ক্ষতিপূরণ দেয়। পরিবারের তরফ থেকে অস্ত্রপচার পরবর্তী রোগীর যতœ নেয়ার ক্ষেত্রে ত্রæটি নিয়ে যে অভিযোগ তোলা হয়েছিলো, তা গোপন রাখার শর্তে এই ক্ষতিপূরণ দেয়া হয়। চলতি সপ্তাহে নিউইয়র্ক টাইমস প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে আদালতে নথিপত্রের বরাতে এই তথ্য জানানো হয়। নীল আর্মস্ট্রংয়ের চাঁদে পদার্পণের অর্ধশত বার্ষিকী পূরণের মাত্র একদিন পরে এই সংবাদ প্রকাশ করা হলো। সূত্র : হিউস্টন ক্রনিকল।

২০১৪ সালের ক্ষতিপূরণের ওই অর্থ পান আর্মস্ট্রং পরিবারের ১০ সদস্য। এদের মধ্যে ছিলেন তার দুই পুত্র, বোন, ভাই এবং ছয় জন নাতি। সিনসিনাটির হ্যামিল্টন কাউন্টি কোর্টের কাছে জমা দেয়া নথিতে এইসব তথ্য ছিলো। যা গত মঙ্গলবার সর্ব সাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হয়। এরপরেই গত বুধবার চাঞ্চল্যকর প্রতিবেদনটি প্রকাশ করে নিউইয়র্ক টাইমস। সিনসিনাটির আদালতের নথি আরো জানাচ্ছে, সবাইকে ক্ষতিপূরণের অর্থ দেয়া হলেও আর্মস্ট্রংয়ের বিধবা স্ত্রী ক্যারলকে কোন অর্থ দেয়া হয়নি।

আর্মস্ট্রংয়ের মৃত্যুর পর তার করোনারি বাইপাস অপারেশন পরবর্তী চিকিৎসায় ত্রæটি ছিলো এমন অভিযোগ করেন তার দুই পুত্র মার্ক ও রিক। এ সময় তারা এক বিবৃতিতে জানান, আমরা খুবই দুঃখের সঙ্গে জানাই আমাদের পিতা এবং মহান নভোচারী নীল আর্মস্ট্রং শল্যপাচার পরিবর্তী চিকিৎসা সেবার কারণে সৃষ্ট জটিলতায় মারা গেছেন। তাদের এই বার্তা লাখো মার্কিন ভক্তের সাড়া পায়, সামাজিক গণমাধ্যমে। ফলে ফেয়ারফিল্ড হাসপাতালের কতৃপক্ষ জনরোষ এড়াতে বিবৃতি দেন, তাদের চিকিৎসা স¤পূর্ণ নির্ভুল ছিলো। কিন্তু, একইসঙ্গে গোপন সমঝোতার মাধ্যমেও তারা বিষয়টি নিয়ে আইনি লড়াই এড়ানোর পথ বেছে নেয়। স¤পাদনা : ইমরূল, ইকবাল

সর্বাধিক পঠিত