প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

বাড্ডায় গণপিটুনিতে হত্যা: প্রধান অভিযুক্ত হৃদয় গ্রেপ্তার

সুজন কৈরী : রাজধানীর বাড্ডায় ছেলেধরা সন্দেহে তাসলিমা বেগম রেনুকে পিটিয়ে হত্যা মামলাার প্রধান আসামি হৃদয়কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টায় নারায়ণগঞ্জের ভুলতা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।এ নিয়ে এ ঘটনায় এ পর্যন্ত আটজনকে গ্রেপ্তার করা হলো।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপির) গোয়েন্দা বিভাগের যুগ্ম কমিশনার মাহবুব আলম হৃদয়কে গ্রেপ্তারের নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গোয়েন্দা পুলিশের পূর্ব বিভাগের একটি টিম অভিযান চালিয়ে হৃদয়কে গ্রেপ্তার করে। বর্তমানে সে আমাদের হেফাজতে রয়েছে।

গত শনিবার (২০ জুলাই) সকালে ঢাকার উত্তর বাড্ডার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তসলিমা রেনু নামে এক নারীকে ছেলেধরা সন্দেহে গণপিটুনি দিয়ে হত্যা করা হয়। পদ্মা সেতুতে মানুষের মাথা লাগবে এমন গুজব ছড়িয়ে পড়ার পরপরই এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, নিহত রেনু তার চার বছর বয়সী সন্তানকে ভর্তি করাতে সেদিন ওই স্কুলে গিয়েছিলেন। আর এই হত্যার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যশে ভাইরাল হওয়ার পর তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।

স্কুলের সিসিটিভির ফুটেজে দেখা যায়, ছেলেধরা বলে বাইরে থেকে হট্টগোল শুরু হলে তিন থেকে চার মিনিটের মধ্যেই স্কুলের কিছু অভিভাবক ও বাইরে থেকে আসা উচ্ছৃঙ্খল মানুষে ভরে যায় জায়গাটি। এর পর হাতে গোনা কয়েকজন যুবক মাটিতে ফেলে নির্মমভাবে লাঠি দিয়ে পেটায় রেনুকে। কেউ কেউ এলোপাতাড়ি লাথিও মারছিল। শত শত মানুষ দর্শকের ভূমিকায় তা দেখছিল, কেউ আবার সেই মারধর মোবাইল ফোনে ভিডিও করছিল।

এ ঘটনায় নিহত রেনুর ভাগ্নে সৈয়দ নাসির উদ্দিন টিটু মামলা করার পর গত রোববার রাতে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এই মামলার আসামি চার থেকে পাঁচশ।

নিহত রেনুর বাড়ি লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার উত্তর সোনাপুর গ্রামে। তার অবুঝ শিশু তোবা এখন খালাদের সঙ্গে রয়েছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত