প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

গণপিটুনি সামাজিক অবক্ষয় প্রান্তিক পর্যায় থেকে পদক্ষেপ নিতে হবে, বলছেন সমাজবিজ্ঞানীরা

হ্যাপি আক্তার : গণপিটুনিকে সামাজিক অবক্ষয় উল্লেখ করে প্রান্তিক পর্যায় থেকে পদক্ষেপ নেয়াবার কথা বলছেন সমাজবিজ্ঞানীরা। হামলকারীদের মানসিক রোগী না ভেবে এর পেছনের কারণ অনুসন্ধানের কথা বলেন, মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. মোহিত কামাল। ডিবিসি নিউজ, ৯:০০।

আইন ও সালিশ কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক শিপা হাফিজা মনে করছেন, শাস্তি দিয়ে ভয় তৈরি করাও জরুরি হয়ে পড়েছে এখন।

গত ১২ দিনে ছেলে ধরা গুজবে বলি হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন ১০ জন। আহত হয়ে হাসাপাতালে আছেন আরো বেশকজন।

কিন্তু হঠাৎ করে সারা দেশে কেন গণপিটুনি এভাবে মাথাচাড়া দিয়ে উঠলো? কেনই বা গুজবে হত্যার মত অপরাধে পিছপা হচ্ছে না লোকজন। মনোবিজ্ঞানী মোহিত কামালের মতে, হামলাকারীদের কোনভাবেই মানসিক বিকারগ্রস্ত না বলে এর ভেতরের কারণ বের করতে হবে।

তিনি বলেন, এমন নিষ্ঠুর এমন হিংস্রভাবে মারতে দেখলাম যে, আমি আর ভিডিওটা দেখতে পাচ্ছি না। আমরা নিজেরা আক্রান্ত হয়ে যাচ্ছি। কাদের এমন হিংস্রতা হয়? কারা এ নিষ্ঠুরতা করে দেখাতে পারে? যাদের ব্যক্তিত্বের মধ্যে পাষণ্ডতা আছে, নির্মমতা আছে, হিংস্রতা আছে। এটা কোনো অসুখ না। তাকে রোগী বলা যাবে না। কারণ রোগী বলার সাথে সাথে সে আইনের বিভিন্ন সুযোগ পেতে পারে। এটা ষড়যন্ত্রের অংশ হতে পারে। কিছু লোককে লেলিয়ে দেয়া হতে পারে যে, সমাজের মধ্যে অস্থিরতা সৃষ্টি করো। আশান্তি তৈরি করো এবং সেটি সরকারের জন্য ক্ষতিকর হবে। সরকারকে এটা মাথায় রাখতে হবে।

সমাজবিজ্ঞানি নেহাল করীমের মতে, এই সমস্যা সমাধানে এখনই কঠোর শাক্তি প্রয়োগ করে কাজ শুরু করতে হবে সমাজের গোড়া থেকেই। সমাজে কেউ স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে চাচ্ছে। আর কেউ না পারুক, অন্তত গোয়েন্দাদের উচিত এটা খুঁজে বের করা। আমাদের গোয়েন্দারা তো কিছুই করে না। নির্ম‚ল কোনোটাই হবে না। হ্রাস করা যেতে পারে। সে জন্যই কিছু শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। দেশে সব ধরনের আইন আছে। কিন্তু তার কোনো প্রয়োগ নেই।

আইন ও সালিশ কেন্দ্রের তথ্য বলছে, গত সাড়ে ৮ বছরে সারা দেশে গণপিটুনিতে খুন হয়েছেন কমপক্ষে ৮২৬ জন। গণপিটুনির জন্য কেউ শাস্তি না পাওয়ায় এই অপরাধে ভীত নয় মানুষ।

আইন ও সালিশ কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক শিপা হাফিজা বলেন, এমন অন্যায় করেছে তাদেরকে বিচারের কাঠগড়ায় নিয়ে যেতেই হবে। এখন একটা বিশেষ সময় এসেছে। এখন উল্লেখযোগ্য কিছু ঘটনা ঘটাতে হবে। এরকম অন্যায় করে কোনোভাবেই ক্ষমা পাওয়া যাবে না। অন্যায়কারীর যত শক্তিই থাক, তাকে তার শান্তি পেতেই হবে। সম্পাদনা : এইচ এম জামাল/রাশিদুল

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত