প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ভুল চিকিৎসায় বাবার মৃত্যুর পর প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চাইলেন ছেলে

এস এম নূর মোহাম্মদ : রাজধানীর মহাখালীর ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় ভুল চিকিৎসায় মো. শহিদ উল্লাহর মৃত্যুর অভিযোগ করেছেন তার ছেলে মো. কামাল হোসেন। এ ঘটনার গত ১৭ জুলাই তিনি বাদী হয়ে মামলা করে নিরাপত্তাহীনতায় আছেন তিনি। আর এজন্য নিরাপত্তা চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়েছেন কামাল। রোববার সুপ্রিম কোর্টের’ রিপোর্টার্স ফোরামের (এলআরএফ) কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন সৃষ্টি হিউম্যান রাইটস সোসাইটির চেয়ারম্যান আনোয়ার-ই-তাসলিমা।

কামাল হোসেন বলেন, বিশেষজ্ঞদের মতে একজন রোগীর সপ্তাহে সর্বোচ্চ ৩ বার ডায়ালাইসিস দেওয়া যায়। তা সত্ত্বেও আমার বাবার ক্ষেত্রে ২০ দিনে ২৩টি ডায়ালাইসিস দেওয়া হয়েছিল। অতিরিক্ত ডায়ালাইসিস দেওয়া হয়েছে বেশি মুনাফা তথা অতিরিক্ত বিল আদায় করতে।

হাসপাতাল থেকে দেওয়া ওষুধের বিল তুলে ধরে তিনি জানান, মাত্র ৩১ দিনে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আমাদের ২ লাখ ৪১ হাজার ৮৪২ টাকার ওষুধ বিল করেছে। আর ১৪ মে হাসপাতালে ভর্তির পর থেকে ২১ জুন পযন্ত ৩৬ দিনে মোট বিল করেছে ১০ লাখ ২ হাজার ৭৮ টাকা।

তিনি বলেন, মুনাফার লোভে আমার বাবাকে ভুল চিকিৎসায় মেরে ফেলেছে। আর হাসপাতালে থাকাবস্থায় মৃত ঘোষণার দুই দিন আগেই আমাদের নামে থানায় ডায়েরি করেছে। আর মৃত ঘোষণার চারদিন পর অনিয়ম ধামাচাপা দিতে আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করে। প্রতিবাদ করলে হাসপাতালের চেয়ারম্যান প্রীতি চক্রবর্তী আমাদের হুমকি দেন। অথচ ঘটনাস্থলে একাধিক গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। সেদিন হাসপাতালের সিসিটিভির ফুটেজ দেখলেই সব বেরিয়ে আসবে বলে দাবি করেন তিনি।

সৃষ্টি হিউম্যান রাইটস সোসাইটির চেয়ারম্যান আনোয়ার-ই-তাসলিমা বলেন, সেদিন আমি হাসপাতালে গিয়েছি মানবতার খাতিরে। অনিয়মের খবর পেয়ে আমি ছুটে গিয়েছিলাম হাসপাতাল। কিন্তু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আমাকেও মামলার আসামি করেছে। আমি এ মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার দাবি করছি।

এর আগে ইউনিভার্সেল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের মামলায় কামাল হোসেন ও আনোয়ার-ই-তাসলিমা আগাম জামিন নিতে আসলে ওই হাসপাতালের এমডিকে তলব করেন আদালত। এরপর এমডি আদালতে হাজির হলে রোগীদের যত্নের বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে সতর্ক থাকতে বলেন হাইকোর্ট। সম্পাদনা : ইকবাল/সাজিয়া

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত