প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

কী বুঝ প্রিয়া সাহার, বর্ণবাদী ট্রাম্পের কাছে অভিযোগ যার?

মাসুদ রানা : যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোলান্ড ট্রাম্প তার নিজ দেশের আইন সভায় নির্বাচিত চার নারী প্রতিনিধিকে তাদের বর্ণগত সংখ্যালঘুত্ব ইঙ্গিত করে আমেরিকা থেকে বেরিয়ে যেতে বলে ইতোমধ্যে বর্ণবাদী হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে নিন্দিত হয়েছেন খোদ মার্কিন আইনসভারই নিম্নকক্ষে, তার কাছে বাংলাদেশের সংখ্যালঘু ধর্মীয় সম্প্রদায়ের বাঙালি নারী প্রিয়া সাহা কী বুঝে ও কী প্রত্যাশায় অভিযোগ করলেন সংখ্যালঘু নির্যাতনের বিরুদ্ধে? যে ইমিগ্র্যান্ট শ্বেতাঙ্গ জাতিসমূহ আমেরিকার আদিবাসীদের ধ্বংস করে সেখানে জাঁকিয়ে বসে বিশ্বের বুকে ছড়ি ঘোরাচ্ছে, তাদের বর্ণ প্রতিনিধি হয়ে প্রেসিডেন্ট ডোলান্ড ট্রাম্প আজ অন্য ইমিগ্র্যান্টদের আমেরিকা ত্যাগ করতে বলছেন। আমি বুঝে পাই না, এই বর্ণবাদী ট্রাম্পের কাছে প্রিয়া সাহা কী বুঝে ফরিয়াদ জানিয়েছেন বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের দেশত্যাগ রহিত করতে।  ২. প্রিয়া সাহার রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনার উপকরণ প্রস্তুত! মার্কিন দেশে প্রিয়া সাহার রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনা পক্ষে যাবতীয় উপকরণ ইতোমধ্যে জনপ্রিয়তা-মাঙ্গা আইনজীবী থেকে শুরু করে ক্ষমতাধর মন্ত্রী পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতার মামলা বা আইনি ব্যবস্থা নেয়ার কথা ঘোষণা করে। প্রিয়া সাহা এবার নিশ্চিত দেখাতে পারবেন যে, নির্যাতনের অভিযোগ করলেও নির্যাতিত হতে হয়। তিনি হয়তো নিজের ভাগ্য বিপর্যয় দেখিয়ে প্রমাণ করবেন সংখ্যালঘুদের ভাগ্য বিপর্যয় কীভাবে হয়।

৩. কাদম্বিনীর মৃত্যুর মতো প্রিয়া সাহার নির্যাতিত হওয়ার প্রমাণ প্রক্রিয়া! যেভাবে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘কাদম্বিনী মরিয়া প্রমাণ করিলো, সে মরে নাই’, ঠিক সেভাবে ডেনাল্ড ট্রাম্পের শরণার্থী প্রিয়া সাহা বাংলাদেশে দেশদ্রোহিতার মামলার হুমকি খেয়ে ‘প্রমাণ করিল’, সে নির্যাতিতা। সুতরাং যারা প্রমাণ করতে চান যে, বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতন হয় না, তাদের উচিত হবে প্রিয়া সাহাকে রাষ্ট্রদ্রোহিতা-মামলার ভীতি প্রদর্শন না করা।  ফেসবুক থেকে

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত