প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

মশার নতুন ওষুধ নির্বাচনে ৮ সদস্যের কমিটি
চলতি সপ্তাহে ওষুধ কেনার কাজ শুরু হতে পারে

সুজিৎ নন্দী : মশার ওষুধ নির্বাচন ও কার্যকারিতা পরীক্ষায় ডিএনসিসির ‘কারিগরি কমিটি’ সুপারিশে ওষুধ কেনা হবে। ইতোমধ্যে ৮ সদস্যের কারিগরি কমিটি যে ওষুধের সুপারিশ করবে, সেই মোতাবেক ওষুধ আনা হবে। চলতি সপ্তাহে ওষধের নাম কমিটি দিলেই কেনার কার্যাদেশ দেয়া হবে।দ্রুতই ওষুধ কেনা হবে। বাড়ির ভেতরে ছাড়া পুরো ঢাকা শহরে এ ওষুধ দেয়া হবে। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) সূত্রে এতথ্য জানা যায়।

একাধিক বিশেষজ্ঞ জানান, আপাতত নতুন কিটনাশক না কেনা পর্যন্ত বর্তমানে ব্যবহৃত কীটনাশকের ঘনত্ব বাড়িয়ে ব্যবহার করতে হবে। পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি কীটনাশক হিসাবে অধিকতর কার্যকর কীটনাশক ও নতুন প্রযুক্তি সংযোজন করতে হবে।

সূত্র জানায়, বাসা-বাড়িসহ যেখানেই তিন দিনের বেশি পরিষ্কার পানি জমে থাকলে সেখানেই ডেঙ্গু মশা বংশবিস্তার করতে পারে। নগরবাসী নিজ নিজ বাসা, বাড়ি ও আঙ্গিনায় নিজ দায়িত্বে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে এবং জমে থাকা স্বচ্ছ পানি নিজ দায়িত্বে পরিষ্কার না করলে ডেঙ্গু মশা তৈরি হবে।

কমিটির সদস্যরা হচ্ছেন, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা সদস্য সচিব হিসাবে দায়িত্ব পালন করবেন। কমিটির সদস্যরা হলেন সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ (সিডিসি) এর পরিচালক, রোগতত্ত¡, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) এর পরিচালক, আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্রের (আইসিডিডিআরবি) প্রতিনিধি, সিডিসির কীটতত্ববিদ, উদ্ভিদ সংরক্ষণ শাখার প্রতিনিধি, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কীটতত্ত¡বিদ অধ্যাপক, বাংলাদেশ ক্রপ প্রটেকশন এসোসিয়েশনের (বিসিপিএ)
কীটতত্ত্ববিদ।

ডিএনসিসির মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, সিটি করপোরেশনের ইতিহাসে এই প্রথম প্রতিটি এলাকার মশক কর্মী, সুপারভাইজার ও মনিটরিং কর্মকর্তার নাম ও মোবাইল নম্বর ডিএনসিসির ওয়েবসাইটে দেয়া আছে। যে কেউ তাদেরকে ফোন করে জবাবদিহিতার আওতায় আনতে পারবে। মশা নিধনে কোন কর্মী আগামী দিন কোথায় ওষধ দিতে যাবে তার তালিকাও ওয়েব সাইডে থাকবে। বাসা-বাড়ির বাইরে মশক নিয়ন্ত্রণে ডিএনসিসির মশক নিধন কর্মী ও সুপারভাইজাররা নিয়মিত কাজ করছে।

প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোমিনুর রহমান মামুন বলেন, প্রথমত ডেঙ্গু সম্পর্কে আমাদের সচেতন করে তুলবে হবে। নতুন ওষুধ আসার সাথে সাথে নতুন উদ্যোমে কাজ শুরু হবে। ইতোমধ্যে গণসচেতনতা মূলক কাজ আমরা করে যাচ্ছি।

সম্পাদনা : বিশ্বজিৎ দত্ত/ইসমাইল ইমু

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত